বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

চট্টগ্রাম বন্দরের সকল কার্যক্রম বন্ধ

আপডেট : ২৬ মে ২০২৪, ০১:১৫ পিএম

ঘূর্ণিঝড় ‘রিমাল’র প্রভাবে ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে চট্টগ্রাম বন্দরের সকল প্রকার কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একইসঙ্গে সর্বোচ্চ এলার্ট-৪ জারি করেছে। গতকাল চট্টগ্রাম বন্দরকে ছয় নম্বর বিপদ সংকেত দেয়ার পরপরই বহিঃনোঙ্গরের সকল পণ্য খালাস বন্ধ করে দেয়া হয়েছে এবং জেটিতে কোনো নতুন জাহাজ ভিড়তে দেয়া হয়নি। 

এদিকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব ওমর ফারুক জানিয়েছেন, স্ট্যান্ডিং অর্ডার অনুযায়ী বন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সকল কার্যক্রম নেয়া হয়েছে। সকল জাহাজকে বহিঃনোঙ্গরে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।

রবিবার সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ১০ নম্বর বিশেষ বুলেটিনে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারকে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখানো হয়েছে। মোংলা ও পায়রাকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখানো হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় রিমাল আজ সন্ধ্যার পর খেপুপাড়া হয়ে উপকূল অতিক্রম করার কথা রয়েছে। 

আজ সকাল সাড়ে ৮টায় প্রকাশিত বিশেষ বুলেটিনে বলা হয়, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত ঝড়টি গতকাল সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম থেকে ৪০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার থেকে ৩৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ৩৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে ও পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ২৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘন্টায় ৯০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচেছ।

এদিকে ঝড়টি উপকূলের কাছাকাছি চলে আসায় মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে এবং খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, বরিশাল, পিরোজপুর, ভোলা, ঝালকাঠি, বরগুনা, পটুয়াখালী এবং তৎসংলগ্ন দ্বীপ ও চরসমূহকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখানো হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দর এবং চাঁদপুর, ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের দ্বীপ ও চরসমূহকে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখানো হয়েছে। একইসাথে এসব এলাকায় স্বাভাবিক জোয়ারের চাইতে ৮ থেকে ১০ ফুট উচ্চতার বেশি জলোচ্ছ্বাস হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয় বিশেষ বুলেটিনে। 

 

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত