সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ৩ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

খেপুপাড়া উপকূলে ঘূর্ণিঝড় রিমালের আঘাত

আপডেট : ২৬ মে ২০২৪, ১০:৪৬ পিএম

ঘূর্ণিঝড় রিমাল উপকূলে আঘাত করেছে। আজ রবিবার (২৬ মে) রাত ৮টার দিকে ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্র (চোখ) মোংলার দক্ষিণ–পশ্চিম দিক দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ উপকূল ও বাংলাদেশের খেপুপাড়া উপকূল অতিক্রম শুরু করেছে। ঘূর্ণিঝড়টি পরবর্তী ৫-৭ ঘণ্টার মধ্যে উপকূল অতিক্রম সম্পন্ন করতে পারে।

আজ রবিবার রাত সোয়া ৮টার দিকে এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঘূর্ণিঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের উপপরিচালক মো. শামীম আহসান।

শামীম আহসান জানান, প্রবল ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আজিজুর রহমান জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলের প্রতিটি জেলায় ঝোড়ো হাওয়াসহ ব্যাপক বৃষ্টি শুরু হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়টির বিস্তৃতি প্রায় ৪০০ কিলোমিটার। এর অগ্রভাগ আজ সন্ধ্যা ৬টার দিকেই খুলনা উপকূলের কাছে সুন্দরবনের দিকে প্রবেশ করে। এর প্রভাবে উপকূলে ব্যাপক বৃষ্টি হয়।

উপকূল অতিক্রমের সময় স্বাভাবিক জোয়ারের চাইতে ৮ থেকে ১২ ফুট উচ্চতার বেশি জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। আর এতে ক্ষয়ক্ষতিও বেশি হতে পারে সেই শঙ্কায় মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত এবং চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

এছাড়া খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, বরিশাল, পিরোজপুর, ভোলা, ঝালকাঠি, বরগুনা, পটুয়াখালী এবং তৎসংলগ্ন দ্বীপ ও চরসমূহকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখানো হয়েছে। অপরদিকে চাঁদপুর, ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের দ্বীপ ও চরসমূহকে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখানো হয়েছে। একইসঙ্গে এসব এলাকায় স্বাভাবিক জোয়ারের চাইতে ৮ থেকে ১০ ফুট উচ্চতার বেশি জলোচ্ছ্বাস হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয় বিশেষ বুলেটিনে। জোয়ারের পাশাপাশি ভারী বর্ষণের সতর্কতাও জারি করা হয়েছে। এতে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেট এলাকায় পাহাড় ধসের শঙ্কাও করা হয়েছে।নি

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত