যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে বিশ্বকাপের মতো মেগা টুর্নামেন্ট আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ক্রিকেটের বাজার আরও বিস্তৃত করা। যুক্তরাষ্ট্রে ক্রিকেট অতটা পরিচিত নয়। স্টেডিয়াম বানানো হয় মাত্র পাঁচ মাসে। অনুশীলন সুবিধাও পর্যাপ্ত নয়।
নিউইয়র্কের নাসাউ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ভারতের তিনটি ম্যাচ, সে কারণে তাদের অনুশীলন করতে হয় ক্যান্টিয়াগ পার্কে। ক্যান্টিয়াগ পার্ক থেকে মূল ম্যাচের ভেন্যুর দূরত্ব পাঁচ মাইল। অনুশীলনের জায়গাটি নিয়েও খুশি নন ভারতের কোচ। রাহুল দ্রাবিড়। তিনি বলেন, 'পার্কে অনুশীলন করাটা বেশ অদ্ভুত।'
বিশ্বকাপের ১৬টি ম্যাচ হবে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে, বাকি ৩৯ ম্যাচ হবে আরেক আয়োজক ওয়েস্ট ইন্ডিজে। এদিকে, ১৬ ম্যাচের মধ্যে ৮টিই আবার হওয়ার কথা রয়েছে নিউইয়র্কের নাসাউতে।
নাসাউতে পিচ ড্রপ ইন। আনা হয়েছে অস্ট্রেলিয়া থেকে। দ্রাবিড় বলেন, 'এটি (পিচ) কিছুটা ভিন্ন, একইসঙ্গে রোমাঞ্চেরও বিষয় যে নতুন একটি দেশ ও নতুন জায়গায় স্থাপন করা হয়েছে। যে দেশে ক্রিকেট অতটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, এমন কন্ডিশন ও আবহে খেলাটা কিছুটা ভিন্ন অনুভূতির।'
এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ৫ জুন বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আয়ারল্যান্ডের মুখোমুখি হবে ভারত।
