মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ১১ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

‘গণতন্ত্র থাকার কারণে মানুষ বিতর্ক করতে পারছে’

আপডেট : ০৯ জুন ২০২৪, ০৩:২৪ এএম

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, দেশে গণতন্ত্র থাকার কারণে নির্বাচনব্যবস্থা নিয়ে মানুষ বিতর্ক করতে পারছে। উপজেলা পরিষদসহ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে নির্দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করার জন্য আইন সংশোধনের প্রয়োজন নেই।

গতকাল শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি) আয়োজিত ‘স্থানীয় সরকারব্যবস্থা শক্তিশালীকরণে চ্যালেঞ্জ ও নির্বাচনে দলীয় প্রতীকের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান আইন এমনভাবে রয়েছে যে দলীয় প্রতীকে বা নির্দলীয় প্রতীকে ভোট করার সুযোগ রয়েছে। রাজনৈতিক দল যদি মনে করে, দলীয় প্রতীকে প্রার্থী দেবে, সেটাও করতে পারে। আবার দলীয় প্রতীক না দিয়েও নির্বাচন করতে পারে। আওয়ামী লীগ এখন মনে করছে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী দেবে না। অন্য রাজনৈতিক দল চাইলে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করতে পারছে। সুতরাং, নির্দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন করার জন্য আইন সংশোধনের প্রয়োজন নেই।’

ঢাকা-৬ আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেন, ঢাকা শহরে জনগণকে সেবা দিতে হলে নগর সরকারের বিকল্প নেই। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন না দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর সময়োপযোগী যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত।

নির্বাচন গ্রহণযোগ্য করতে রাজনৈতিক সংস্কৃতি পরিবর্তনের পরামর্শ দেন সাবেক নির্বাচন কমিশনার বেগম কবিতা খানম। তিনি বলেন, আইনের অস্পষ্টতা ও অসংগতি উপজেলা পরিষদকে অকার্যকর করার জন্য দায়ী। নির্দলীয় বা দলীয় প্রতীক সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য ফ্যাক্টর নয়। রাজনৈতিক শিষ্টাচারই বড় কথা।

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান আইন সংশোধনের দাবি জানিয়ে মূল প্রবন্ধে ড. তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘সিটি করপোরেশন, উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের জন্য পৃথক পৃথক আইন রয়েছে। এসব আইন একীভূত করে একটি আইন করা দরকার। আমি দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন করার পক্ষে। যারা নির্বাচন করেন, তারা নিরপেক্ষ নন।’

   
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত