বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেছেন, ‘ঈদে ঘরমুখো মানুষের সেবা দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিটি সদস্য সবসময় প্রস্তুত রয়েছে। ঈদের সময় সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে পবিত্র ঈদুল আজহা নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে উৎসবমুখর আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপিত হবে।’
গতকাল শুক্রবার বিকেলে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক পরিদর্শন শেষে চান্দনা চৌরাস্তা মোড়ে এক প্রেস ব্রিফিংএ তিনি এসব কথা বলেন।
আইজিপি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিটি সদস্য নিজের ঈদ নিজের পরিবার-পরিজনের সঙ্গে না করে দেশের সেবা, মানুষের সেবা, দেশের মানুষের নিরাপত্তা দিয়ে তারা গর্ববোধ করেন, আনন্দ উপভোগ করেন। সেবাই আমাদের উৎসব, সেবাই আমাদের আনন্দ এই ব্রত নিয়ে পবিত্র ঈদে আমরা দায়িত্ব পালন করতে থাকি এবং মানুষকে নিরাপত্তা দিয়ে থাকি।
তিনি আরও বলেন, ঈদের ছুটিতে অনেকে পরিবার পরিজন নিয়ে ভ্রমণ করে থাকেন। এজন্য পর্যটকের নিরাপত্তার জন্য টুরিস্ট পুলিশ মোতায়েন থাকবে। আর টুরিস্ট পুলিশের চাহিদা অনুযায়ী জেলা পুলিশ ও মেট্রপলিটন পুলিশ প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে।
ঈদে যে সব মানুষ ঈদ উদযাপন করতে গ্রামের বাড়িতে যাবেন তারা যেন নিজেদের বাসা বাড়ির সিসি ক্যামেরাগুলো সচল আছে কি না তা ঠিকমতো কাজ করছে কি না তা পরীক্ষা করে দেখার আহবান জানান। যে কোনো সমস্যার জন্য নিকট থানায় যোগাযোগ এবং প্রয়োজনে ৯৯৯ এ ফোন করেও পুলিশের সহায়তার আহ্বান জানান। ঈদ উপলক্ষ্যে কোন ব্যবসায়ীরা যদি বড় অঙ্কের টাকা পয়সা পরিবহন করতে চান তাহলে তাদের কেউ পুলিশের সহায়তা নেওয়ার আহ্বান জানান। কোরবানির পশুর হাটগুলোকে নিরাপত্তা দিতে পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে। কোনো পশু গন্তব্যে যাওয়ার পথিমধ্যে যে কেউ পশুর গাড়ি থামিয়ে চাঁদা দাবি করে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি পরিবহন শ্রমিক ও চালকদের আইন মেনে চলার জন্য বলেন এবং ফিটনেসবিহীন কোনো যানবাহন যেন সড়কে না নামানো হয় সে পরিবহন মালিকদের প্রতিও আহ্বান জানান। আর ঘরমুখো যাত্রীদের ঝুঁকি নিয়ে ট্রাক, পিকআপ বা অন্যকোনো অনিরাপদ যানবাহনে গন্তব্যে না যাওয়ার আহ্বান জানান।
