প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন, স্থায়ী নিবাসে অবস্থানকারী প্রত্যেক ওই মুসলমান ব্যক্তির ওপর কোরবানি ওয়াজিব, যিনি নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক। অর্থাৎ প্রয়োজনের অতিরিক্ত এবং ঋণ পরিশোধের পর সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ বা সাড়ে বায়ান্ন ভরি রুপা কিংবা সমমূল্যমান সম্পদের অধিকারী হওয়া।
উল্লেখ্য, নেসাব পরিমাণ সম্পদের অধিকারী ব্যক্তি বিশাল সম্পদশালী হলেও তার ওপর একটি পশু কোরবানি করাই আবশ্যক হয়। তবে একাধিক পশু কোরবানি করতেও কোনো অসুবিধা নেই, বরং সহিহ-শুদ্ধ নিয়তে তা অনেক উত্তম। কেউ কোরবানির মান্নত করলে তার জন্য কোরবানি করা ওয়াজিব হয়ে যায়। মান্নতকারী ব্যক্তি নেসাব পরিমাণ সম্পদের অধিকারী হলে তাকে দুটি পশু কোরবানি করতে হবে। একটি শরিয়ত কর্তৃক ওয়াজিব হিসেবে, অপরটি মান্নতের জন্য। অপ্রাপ্তবয়স্ক, পাগল বা মুসাফির ব্যক্তি নেসাব পরিমাণ সম্পদের অধিকারী হলেও তাদের ওপর কোরবানি ওয়াজিব নয়।