বাবা মায়ের ভরণপোষণ নিয়ে মোবাইলে দুই ছেলের ঝগড়া দেখে অজ্ঞান হয়ে যান মা মঞ্জুরা বেগম। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান তিনি। ঈদের পরদিন গতকাল মঙ্গলবার (১৮ জুন) রাত আনুমানিক দশটায় কুমিল্লার তিতাস উপজেলার সাতানী ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামের শান্তি মিয়ার বাড়িতে।
জানা যায়, কৃষ্ণপুর গ্রামের বাসিন্দা শান্তি মিয়া ও মঞ্জুরা বেগম দম্পতির দুই ছেলে ও তিন মেয়ে। বড় ছেলে নবীর হোসেন ঢাকায় একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করেন, ছোট ছেলে বাবুল হোসেন বাহরাইন প্রবাসী। বাবা-মায়ের ভরণপোষণ নিয়ে কয়েকদিন ধরে দুই ভাইয়ের মধ্যে দেশ-বিদেশে মোবাইল ফোনে ঝগড়া চলছিল। মঙ্গলবার রাতে আবারও দুই ভাই বাবা-মাকে নিয়ে মোবাইল ফোনে ঝগড়া করে। ছেলেদের এমন ঝগড়া দেখে মা মঞ্জুরা বেগম (৬৫) অজ্ঞান হয়ে পড়েন। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মঞ্জুরা বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৃতের ছোট মেয়ে ফাতেমা আক্তার জানান, বাবা-মায়ের মাসিক খাবার খরচ নিয়ে বড় ভাই ও ছোট ভাইয়ের মধ্যে প্রায় সময়ই ঝগড়া হতো। গতকাল মঙ্গলবার রাতেও দুই ভাই মোবাইল ফোনে ঝগড়া করে। এ সময় বাবা-মা দাঁড়িয়ে ছিলেন। হঠাৎ মা অজ্ঞান পড়েন। আমরা মাথায় পানি ঢেলে হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন। আর মা আগে থেকেই হার্টের রোগী ছিলেন। আমার ভাই মাকে খুন করেছে এমন মিথ্যা অপবাদ দিয়ে অনেকে ফেসবুকে পোস্ট দিচ্ছে। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা।
তিতাস থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাঞ্চন কান্তি দাস দেশ রূপান্তরকে বলেন, নিহতের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি এবং পরিবারের পক্ষ থেকেও হত্যার অভিযোগ করেনি। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে।
ইমামকে মারধরের পর এবার সাংবাদিকের মোবাইল ভাঙচুর
নদীর পানি বাড়ছে, বন্যার আশঙ্কা
সিলেট শহরে কোথাও হাঁটু, কোথাও কোমর পানি