অপরাহ্ণের অবরোহণ

আপডেট : ২০ জুন ২০২৪, ১২:১১ এএম

অমিয়, তোমাদের মুখ থেকে মিথ্যে হাসি

ঝরে পড়ে প্রিয়ভূমির উঠোনজুড়ে, এখন দেখি

শহুরে বারান্দায়, শুধু স্মৃতি নেড়ে শুকিয়ে

তুলে রাখো অথবা বলক-ওঠা স্মৃতির ভেতর

বুদবুদের মতো বেঁচে বর্তে থাকো, যেন কহনের

খেল খেলে যাওয়া, আর সময়-সায়রে ফাতনা

ফেলার ঢেউ, গুণের নিয়ম মেনে মুখস্থ করো

প্রতিদিন এমনই বোধহয় ভালো লাগে অমিয় 

 তোমার শুধু কথার ফোয়ারা জলের মতো

কথা হয়ে উছলে পড়ে অনাবিল, আবার আকাশকে

ছোঁয়ার অসীম ব্যাকুলতায় দৃষ্টিপ্রদীপ ছুড়ে দিয়ে

আরও দূরের দিকে বিস্তার নিই নিজের গোলক, অথচ

শহরে ভিড় বাড়ে, শুধু মানুষের মিছিল, প্রাণের

পিচ্ছিলতা উছলে পড়ে না, এখন তুমি প্রায়ই বলো

পেরিয়ে যেতে হলে আমাদের এক স্থিতি থেকে অন্য

স্বদেহ ভিন্ন এক যাত্রাপথের দিকে যেতে হয়

 

অথচ নগ্ন পা মাড়িয়ে হেঁটে যাবো এমন সিঁথিপথ

আমরা এখন খুঁজে পাই না, আর শরণ তুমি

স্মৃতি-স্মারক শুকিয়ে রেখে দেও গোপন দেরাজে

এসব দেখে অবাক লাগে, আমিও গুণের নিয়ম

মুখস্থ করতে চাই, কিন্তু তা-পারি না, কিছু ক্বাসিদা

পেরিয়ে যেতে হলে আমাদের স্থিতি থাকতে হয়

অন্য যাত্রাপথে যেতে ডিঙিয়ে যেতে হবে, এখন

ক্লিশে জীবন তর্পণে অবরোহণ করি সন্তরণে

এভাবেই পা মাড়িয়ে হেঁটে যাবো এমন কোনো

সিঁথিপথ আর খুঁজে পাওয়া যায় না কোথাও

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত