বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসকে দুর্নীতিমুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন বিমানের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. জাহিদুল ইসলাম ভূঞা। তিনি বলেছেন, ‘দুর্নীতি করে কেউ এগোতে পারে না।
এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, হচ্ছে। দুর্নীতি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’
গতকাল রবিবার বিমানের প্রধান কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। গত মে মাসে জাহিদুল ইসলাম ভূঞা বিমানের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন।
তিনি বলেন, ‘বোয়িং ও এয়ারবাসের সঙ্গে আমরা কথা বলছি। এই দুই সংস্থার দিকেই আমরা নজর রাখছি। এয়ারবাসের পাশাপাশি বোয়িংও আমরা কিনতে পারি। দেখা যাক সর্বশেষ কী হয়।’
বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ‘টিকিট নিয়ে যাতে কোনো অভিযোগ না আসে তা নিয়ে কাজ করছি, টিকিট নেই, আবার সিট ফাঁকা, এ ধরনের অভিযোগ থেকে বের হতে চাই। এ বিষয়ে পুরোপুরি ডিজিটাল সল্যুশনের পূর্ণ ব্যবহার করতে চাই।’
গত বছর বিমান ১০ হাজার কোটি টাকা আয়ের মাইলফলক স্পর্শ করেছে। এ বছরও সেই লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে তিনি আশা করে বলেন, ‘কার্গো থেকে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা আয়ের আশা করছি। গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের আইএসও সার্টিফিকেশন পেলে এটি বিশাল অর্জন হবে। বিভিন্ন বিভাগ থেকেই আমরা ভালো করছি।’
তিনি বলেন, বিমান মিডিয়াম রিস্ক ক্যাটাগরি থেকে লো রিস্ক ক্যাটাগরিতে উন্নীত হয়েছে। তা ছাড়া বিমান দুটি উড়োজাহাজের পুরো অর্থ পরিশোধ করেছে। আরও দুটি শোধ হওয়ার পথে।
তিনি আরও বলেন, ২০৩৫ সালে ৪৭টি উড়োজাহাজ যুক্ত হবে। ছয়টি উড়োজাহাজ ফেজ আউট হবে। ৩২টি উড়োজাহাজ যোগ হবে।
তৃতীয় টার্মিনালে সেবা দিতে বিমান পুরোপুরি প্রস্তুত উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এক হাজার কোটি টাকার যন্ত্রাংশ কেনা হয়েছে। জাইকার সঙ্গে মিলে কীভাবে আরও প্রশিক্ষণ বাড়ানো যায় তা নিয়ে কাজ করছি। তৃতীয় টার্মিনালে সেবা দিতে আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত।’
