বেনজীরের ডুপ্লেক্স বাড়িতে দুদকের তল্লাশি

আপডেট : ১১ জুলাই ২০২৪, ০২:২৪ এএম

পুলিশের সাবেক আইজি বেনজীর আহমেদের রূপগঞ্জের আনন্দ হাউজিংয়ে থাকা প্রায় ২৪ কাঠার ডুপ্লেক্স বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে দুদক ও নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন। তল্লাশি শেষে কর্মকর্তারা জানান, জব্দ তালিকা করা হয়েছে, সেখানে একটি পরিবারের সাধারণ প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রের চেয়ে বেশি কিছু পাওয়া যায়নি। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় হাইকোর্টের আদেশে গতকাল বুধবার দুপুরে বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।

বাড়িটি ঘিরে নানা রহস্য ও জবরদখলের শিকার হওয়া জমির মালিক ও বাসিন্দাদের মাঝে স্বস্তি এসেছে। সরকারকে ধন্যবাদ জানান তারা। তল্লাশি চলাকালে গণমাধ্যমকর্মীদের ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।

দুদকের নারায়ণগঞ্জের সমন্বিত কার্যালয়ের উপপরিচলাক মঈনুল হাসান রওশনী গত ৬ জুলাই দুপুরে রূপগঞ্জের আনন্দ হাউজিং সোসাইটি এলাকায় ওই বাড়িতে আদালতের নির্দেশে সাইনবোর্ড টানান। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি সাঁটানো হয়েছে। সে সময় উপস্থিত ছিলেন দুদকের উপপরিচালক মঈনুল হাসান রওসানী, নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) শফিকুল আলম, রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আহসান মাহমুদ রাসেল, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি সিমন সরকারসহ অনেকে।

অভিযান শেষে নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) শফিকুল আলম বলেন, ‘আদালতের নির্দেশে গত ৬ জুলাই পুলিশের সাবেক আইজি বেনজীর আহমেদের বাড়িটি জব্দ করা হয়। বাড়িটির দরজাগুলোয় আধুনিক সিকিউরিটি সিস্টেম (তালা) থাকায় সেদিন মালামাল জব্দ করা যায়নি। আজ বাড়িটির দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করা হয়। বাড়িতে থাকা বিভিন্ন মালামাল জব্দ করা হয়েছে।’

মালামালের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, একটি পরিবারের প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র ছাড়া তেমন কিছু ছিল না বাড়িটিতে।

দুদকের উপপরিচালক মঈনুল হাসান রওশনী বলেন, ‘দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত কর্তৃক বেনজীর আহমেদের বাড়ি জব্দ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। বাড়িটির মালামাল জব্দ করা হয়েছে। আদালতে মালামালের জব্দ তালিকা দেওয়া হবে।’

দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১২ জুন আদালত তৃতীয় দফায় বেনজীরের আরও সম্পদ জব্দ করেছে। সে তালিকায় এ বাংলোটিও রয়েছে। এরপর বাড়িটি দেখভালের জন্য জেলা প্রশাসককে রিসিভার নিয়োগ দেয় আদালত। বাংলোটির মূল্য প্রায় ১০ কোটি টাকা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত