শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা ও হতাহতদের তালিকা দাবি

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২৪, ০৫:৪৪ এএম

কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত ও আহতদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশের দাবি জানিয়েছে বামপন্থি দলগুলো। একই সঙ্গে কারফিউ প্রত্যাহার করে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিও জানিয়েছে। ইন্টারনেট চালু করা, পুলিশ-বিজিবি-র‌্যাবকে প্রত্যাহার করে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার চার দফা দাবি জানিয়েছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট। গতকাল বুধবার বামপন্থি দল ও বিভিন্ন সংগঠন এসব দাবি জানান।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলম ও সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বিবৃতিতে বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনে এখন পর্যন্ত দুই শতাধিক ছাত্র-জনতা নিহত ও কয়েক হাজার মানুষের আহত হওয়ার খবর নানা মাধ্যমে এসেছে। নিহত ও আহতদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা এবং আহতদের প্রকৃত অবস্থা দেশবাসী জানতে চায়।

বাংলাদেশের সামাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় নির্বাহী ফোরামের সমন্বয়ক মাসুদ রানা আরেক বিবৃতিতে বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে শিক্ষার্থীরা কোটার যৌক্তিক সংস্কার চেয়ে যে আন্দোলন করছিল, তা শুরু থেকেই সরকারের দমনপীড়নের শিকার হয়।

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সভাপতি সালামান সিদ্দিকী ও সাধারণ সম্পাদক রাফিকুজ্জামান ফরিদ এক যৌথ বিবৃতিতে ৪ দফা দাবির বিষয়টি জানান।

কোটা আন্দোলন ঘিরে সহিংসতার জন্য সরকারকে দায়ী করেছে ‘প্রতিবাদী সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনসমূহ’। ৩১টি সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের এই প্ল্যাটফর্ম দেশের এমন অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। গণমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে ‘প্রতিবাদী সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনসমুহ’ এমন দাবি করেছে। প্ল্যাটফর্মটির অন্যতম সংগঠন বিবর্তন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান লালটুর স্বাক্ষরে এই বিবৃতি দেওয়া হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত