কোটা সংস্কার আন্দোলনের সাথে সংহতি জানিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করায় ৫৭ বাংলাদেশিকে নির্বিচারে দোষী সাব্যস্ত এবং কারাদণ্ড দেয়ায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে মানবাধিকার বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)।
গত বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে মানবাধিকার সংস্থাটি এই বিচার প্রক্রিয়াকে ‘বিচারের নামে প্রহসন’ মন্তব্য করে বলেছে, এ ধরনের দ্রুত বিচার ‘ন্যায্যতা এবং যথাযথ প্রক্রিয়া সম্পর্কে গুরুতর উদ্বেগ’ তৈরি করে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবাসী বাংলাদেশিরা তাদের দেশের ছাত্র আন্দোলনকে সমর্থন করে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করছিলেন। সে আন্দোলন থেকে ৫৭ জনকে গ্রেপ্তার করে ত্বরিতগতিতে দণ্ড দেওয়া হয়েছে, যার ফলে অভিযুক্তরা আত্মপক্ষ সমর্থন করার সুযোগ পাননি। দ্রুত তাদের মুক্ত করে কাজে ফিরে যাওয়ার সুযোগ করে দিতে হবে।
বাংলাদেশে আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে গত শুক্রবার (১৯ জুলাই) সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ওই বিক্ষোভ করেন বলে খালিজ টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়। আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিসহ সাতটি প্রদেশের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেন সেখানকার বাংলাদেশিরা। সেই কর্মসূচি বাস্তবায়নের অভিযোগে বিভিন্ন শহর থেকে মোট ৫৭ জন বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এদের মধ্যে তিন বাংলাদেশিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অন্যদের ১০ থেকে ১১ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছে আবুধাবির একটি আদালত।
প্রসঙ্গত, সংযুক্ত আরব আমিরাতের পেনাল কোডের অধীনে বিক্ষোভ এবং বিক্ষোভ সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। যা দেশটির সংবিধান এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মান উভয়ই লঙ্ঘন করে।
এই নির্বাচনের পর আপনাদের আর ভোট দিতে হবে না, খ্রিস্টানদের প্রতি ট্রাম্প