প্যারিস অলিম্পিকে মাঠে নামার আগে থেকেই তিনি আলোচনায় ছিলেন। না, পারফর্মেন্সের জন্য নয়। নেদারল্যান্ডস বিচ ভলিবল দলের সদস্য স্টিভেন ফন ডি ফেল্ডে ধর্ষণের দায়ে এক বছর জেল খেটেছেন। এমন সাজাপ্রাপ্ত ধর্ষককে অলিম্পিকে সুযোগ দেওয়াটা ভালোভাবে নিতে পারেননি দর্শকরা। তাই ফেল্ডে মাঠে নামতেই শুরু হয় দুয়োধ্বনি। ফেল্ডের দলও ইতালির কাছে ২-১ সেটে হেরে যায়।
আইফেল টাওয়ার স্টেডিয়ামে গতকাল রবিবার ডি ফেল্ডে মাঠে নামার মুহূর্তে নেদারল্যান্ডসের কিছু সমর্থক করতালি দিলেও বাকি দর্শকরা দুয়ো দিতে থাকেন। ম্যাচজুড়ে তাদের দুয়োধ্বনি শুনেই খেলতে হয়েছে এক দর্শক বিবিসিকে বলেছেন, ‘আমি বিস্মিত হয়েছি। তাঁকে খেলার অনুমতি দেওয়া উচিত হয়নি।’ ফেল্ডেকে। অবশ্য ম্যাচ শেষে ডি ফেল্ডের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন প্রতিপক্ষের দুই খেলোয়াড় কারামবুলা ও রানঘিয়েরি।
২০১৬ সালে ডি ফেল্ডের বিরুদ্ধে ১২ বছর বয়সী এক ব্রিটিশ কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। ফেসবুকে পরিচয়ের পর আমস্টারডাম থেকে ইংল্যান্ডে গিয়ে মিলটন কিনেস অঞ্চলে তিনি এই অপকর্ম করেন। আদালত তাকে চার বছর কারাদণ্ড দিলেও এক বছর পর কারামুক্ত হয়ে বিচ ভলিবলে ফেরেন। ২৯ বছর বয়সী এই খেলোয়াড়কে প্যারিস অলিম্পিকে সুযোগ পাওয়ায় ব্যাপক সমালোচনা হয়েছে।
ফেল্ডের সুযোগ পাওয়ার বিষয়টি আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটিকে (আইওসি) তদন্তের আহবান জানিয়েছিল বিভিন্ন সংগঠন এবং নারী অধিকার কর্মীরা। এমনকী সাধারণ দর্শকরাও ফেল্ডেকে গ্রহণ করতে পারছেন না। অলিম্পিকে নিজের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামার আগপর্যন্ত তাকে নিষিদ্ধ করার দাবিতে ৯০ হাজার মানুষ অনলাইনে পিটিশন দিয়েছেন। এত কিছু করেও তার মাঠে নামা আটকানো যায়নি। তাই হয়তো দুয়ো দিয়েই শোধ তুলেছেন দর্শকরা।
অলিম্পিকে ডানা মেললেন সিমোন বাইলস
চীনে পারেননি, ৩০ বছর পর চিলির হয়ে অলিম্পিক স্বপ্ন পূরণ
সান ফ্রান্সিসকোকে হারিয়ে মেজর লিগ ওয়াশিংটনের