প্রতিটি অ্যাথলেটের আজন্ম লালিত স্বপ্ন অলিম্পিকে অংশ নেওয়া, সম্ভব হলে সর্বোচ্চ পদকটি নিজের করে নেওয়া। ‘দ্যা গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’- অলিম্পিকে ছোট-বড়, আনন্দ-বেদনা সব অনুভুতি, সব উত্তেজনা যেন অন্য যেকোনো কিছুর চেয়ে বেশি। প্যারিস অলিম্পিকে মাঠের খেলার পেরিয়ে গেছে প্রায় এক সপ্তাহ। কেউ পদক জিতেছেন, কেউ গড়েছেন রেকর্ড। কেউ আবার পুড়েছেন আক্ষেপের অনলে। চলুন ছবির সঙ্গে দেখে আসি প্যারিস অলিম্পিকের সেরা উদযাপনগুলোর কয়েকটি।
নারীদের ওয়াটারপোলোতে এর আগে কখনও কোনো ম্যাচ জিততে পারেনি ফ্রান্স। প্যারিসের অ্যাকুয়াটিকস সেন্টারে ইভেন্টের প্রথম ম্যাচে ইতালিকে ৯-৮ গোলে হারিয়ে ইতিহাসে প্রথম জয়ের স্বাদ পান ফরাসি খেলোয়াড়রা। উদযাপনেও তাই ছাড়িয়ে যান সব মাত্রা।
স্বাগতিক ফ্রান্সকে হারিয়ে দলগত আরচারির স্বর্ণ জেতে দক্ষিণ কোরিয়া। দেশটির নারী দলও চীনকে হারিয়ে জিতে নেয় টানা ১০ম স্বর্ণ।
আর্টিস্টিক জিমন্যাস্টিকসে পুরুষদের দলগত ইভেন্টে ফেভারিট ছিল চীন। তবে ফাইনালে তাদের ছোট ভুলের সুযোগ নিয়ে শেষ পর্যন্ত সোমবার স্বর্ণ জিতে নেয় জাপান। আর তাতে ভীষণ আবেগী হয়ে পড়েন দেশটির জিমন্যাস্টরা।
পোল্যান্ডের ইতিহাসে ফেন্সিংয়ে কোনো পদক ছিল না কখনও। গতকাল নারীদের দলগত ইপেই ইভেন্টে প্রথমবারের মতো এ কীর্তি গড়েন ফেন্সাররা। তারা জেতেন ব্রোঞ্জ।
টোকিওতে ০.১৬ সেকেন্ডের জন্য পদক বঞ্চিত হয়েছিল গ্রেট ব্রিটেনের অ্যাডাম বারজেস। প্যারিস তাকে খালি হাতে ফেরায়নি। ক্যানয় স্লেলম সিঙেলে জিতে নিয়েছেন রৌপ্য। আর তার উদযাপনের মুহূর্তটি যথার্থই ফ্রেমবন্দি করতে সক্ষম হয়েছেন আলোকচিত্রীরা।
টোকিও অলিম্পিকে তার ভুলেই রৌপ্য জিতে ফিরতে হয় যুক্তরাষ্ট্রকে। সিমোন বাইলসের কাছে তাই এ জয় আগের দুঃখ ঘোঁচাবার। তাতে তিনি সফল। আর্টিস্টিক জিমন্যাস্টিকসের নারী দলগত ইভেন্টে গত রাতে স্বর্ণ জেতেন সিমোন বাইলস ও তার সঙ্গীরা।
বল হাতে দুর্দান্ত রিংকু-সূর্য, সুপার ওভারে লঙ্কাবধ ভারতের