রাজধানীর বনানীতে সেতু ভবনে হামলা-আগুন দেওয়ার মামলায় বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। তাকে দুই দফায় আট দিন রিমান্ডে রাখা হয়েছিল। গতকাল শুক্রবার রিমান্ড শেষে বিজেপি চেয়ারম্যান পার্থকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রশিদুল আলমের আদালতে হাজির করা হয়। তার পক্ষের আইনজীবী জামিন চেয়ে আবেদন করেন। অন্যদিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পরিদর্শক আবু সাইদ মিয়া তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত পার্থকে কারাগারে রাখার আবেদন করেন।
দুপক্ষের আইনজীবীদের শুনানি শেষে জামিনের আবেদন নাকচ করে দিয়ে পার্থকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত।
কোটা আন্দোলন কেন্দ্র করে গত ১৮ জুলাই সহিংসতার সময় বনানীতে সেতু ভবনে হামলা করা হয়। এ ঘটনায় সেতু ভবনের কেয়ারটেকার রবিউল ইসলাম বাদী হয়ে বনানী থানায় মামলা করেন। হামলায় সেতু ভবনের ৩০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
গত ২৫ জুলাই পাঁচ ও ৩০ জুলাই তিন দিনের রিমান্ডে নেন তদন্ত কর্মকর্তা। এর আগে ২৫ জুলাই সকালে গুলশানের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় পার্থকে।
অন্যদিকে রামপুরায় বাংলাদেশ টেলিভিশনে হামলা ও অগ্নিসংযোগের মামলায় গ্রেপ্তার বিএনপি নেতা শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসসহ ছয়জনকে চার দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে হাজির করে গোয়েন্দা পুলিশ। পরে তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা সবার জামিন চেয়ে আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়। অন্যরা হলেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম নীরব, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম, বিএনপি নেতা সৈয়দ এহসানুল হুদা, মহিউদ্দিন ও তরিকুল ইসলাম।
এর বাইরে গতকাল নাশকতার বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার ২৩ জনকে ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করে পুলিশ। পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
