জামালপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নানের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা। এ সময় শিক্ষার্থীদের কাছে ৪ ঘণ্টার বেশি সময় অবরুদ্ধ থাকেন ওই শিক্ষক। শিক্ষার্থীরা আরও তিন সহকারী শিক্ষকের পদত্যাগের দাবি জানিয়েছেন। পদত্যাগের জন্য লিখিতভাবে ২৪ ঘণ্টা সময় নিয়েছেন প্রধান শিক্ষক।
শনিবার (১০ আগস্ট) বেলা ১২টার দিকে জামালপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে বিদ্যালয়ে সেনাবাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নেন।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে জানিয়েছে, কোটা সংস্কার আন্দোলনে যোগদানের জন্য গত ১৮ জুলাই জামালপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা সমাবেত হয়। এ সময় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা বিদ্যালয়ের ভেতরে প্রবেশ করে প্রধান শিক্ষক ও কয়েকজন সহকারী শিক্ষকের সামনে ছাত্রীদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও মারধর করেন। এ সময় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের হাতে অনেক ছাত্রী যৌন হয়রানির শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে শিক্ষার্থীরা। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের হাতে মারধর ও ইজ্জত বাঁচতে ওয়াশ রুমে ঢুকেও রক্ষা হয়নি তাদের। এ সময় নিরব প্রধান শিক্ষক তার কক্ষেই বসে ছিলেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। এতে শিক্ষকদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে শিক্ষার্থীরা।
এ ঘটনায় শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বিশ্বজিৎ সোম, শাহিদা বেগম ও রেজা নামে আরও তিন শিক্ষকের পদত্যাগের দাবি জানিয়েছেন। এ সময় প্রায় অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক আবদুল মান্নান বলেন, এদিনে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমি সচেষ্ট ছিলাম। পরিস্থিতি আমার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় অভিভাবকদের ডেকে তাদের সন্তানদের বাসায় পাঠিয়ে দেই। আর সিসিটিভি সম্পর্কে আমার কোনো অভিজ্ঞতা নেই।
গাজীপুর ও ঢাকা মহানগরের সেনা ক্যাম্পের পরিবর্তিত মোবাইল নম্বর
পুলিশ সদস্যদের কাজে ফেরার আহ্বান