১৫ আগস্ট ঘিরে বেড়েছে সশস্ত্র বাহিনীর টহল ও তল্লাশি

আপডেট : ১৪ আগস্ট ২০২৪, ০৯:৪০ পিএম

আগামীকাল ১৫ আগস্ট শোকদিবস উপলক্ষ্যে ঢাকাসহ সারা দেশে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে সশস্ত্রবাহিনীর টহল ও তল্লাশি। পুলিশও তাদের টহল কার্যক্রম জোরদার করেছে। ইতোমধ্যে দেশের প্রায় সবকটি থানার কার্যক্রম চালু হওয়ার পর পুলিশের সব ইউনিটকে টহল জোরদার করতে বলা হয়েছে।

জানা গেছে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে ধানমণ্ডিতে একত্রিত হয়ে শ্রদ্ধা জানাতে চায় আওয়ামী লীগ। একই সঙ্গে কলাবাগান মাঠ থেকে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর পর্যন্ত মৌন মিছিলের কর্মসূচি রয়েছে আওয়ামী লীগের। অপরদিকে আওয়ামী লীগ যাতে কোনো কর্মসূচি পালন করতে না পারে, সেজন্য মাঠে থাকার ঘোষণা দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা।

একইদিন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়, রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্ট ও দেশের বিভিন্নস্থানে অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণাও দিয়েছে বিএনপি। ফলে ত্রিপক্ষীয় কর্মসূচির কারণে দেশে আবারো সহিংস পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। যা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও এক ধরনের উদ্বেগ উৎকণ্ঠা লক্ষ্য করা গেছে। এমন একটি সময় এসব কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে, যখন নিজেদের কর্মকাণ্ডের কারণে জনরোষে পড়ে রীতিমত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে পুলিশ বাহিনী।

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভুত্থানের আগে ও পরে দেশের প্রায় ৪৫০টি থানায় হামলা ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। থানাগুলোতে এখন সীমিত পরিসরে কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হচ্ছে। অনেক থানায় পুলিশের টহল খুবই সীমিত। পুলিশের গাড়িসহ অধিকাংশ যানবাহন ভস্মীভূত হয়েছে। অনেক থানার অবকাঠামোও ধ্বংস করা হয়েছে। অনেক পুলিশ সদস্য এখনো কাজেও যোগ দেননি। বিষয়টিকে পুলিশের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক ইনামুল হক সাগর বলেন, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখার জন্য পুলিশ সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে। বিভিন্ন ইউনিটকে ১৫ আগস্টের পাল্টা পাল্টি কর্মসূচিকে নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের একজন উপকমিশনার বলেন, এই অবস্থায় পুলিশের জন্য সহিংস পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন বিষয়। তবে জনসাধারণের সহযোগিতা পেলে পুলিশ অবশ্যই পরিস্থিতি সামাল দিতে সক্ষম হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত