দীপু মনি জয়ের রিমান্ড, কঠোর শাস্তির স্লোগান

আপডেট : ২১ আগস্ট ২০২৪, ০৬:৪১ এএম

আদালতে আনা-নেওয়ার সময় সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি ও উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়ের কঠোর শাস্তি দাবি করে সেøাগান দিয়েছে আইনজীবীদের একটি পক্ষ। গতকাল মঙ্গলবার ছাত্র-জনতার মিছিলে গুলি করে মোহাম্মদপুরে মুদিদোকানি আবু সায়েদ হত্যা মামলায় দুজনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনিকে চার এবং সাবেক ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়কে পাঁচ দিন হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ (রিমান্ড) করা হবে।

অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সুলতান সোহাগ উদ্দিন সাবেক মন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বেলা ৩টা ২০ মিনিটের দিকে দীপু মনি ও জয়কে আদালতে হাজির করা হয়। তাদের আদালতে আনা-নেওয়ার সময় থেকে বের করার সময় আইনজীবীদের একটি পক্ষের রোষানলে পড়েন দীপু মনি ও জয়। বিএনপি ও জামায়াত সমর্থক আইনজীবীরা সাবেক এ দুজন মন্ত্রী-উপমন্ত্রীর কঠোর শাস্তির দাবিতে স্লোগান দেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী উত্তেজিত আইনজীবী ও লোকজনকে নিবৃত্ত করে।

মোহাম্মদপুর থানায় করা হত্যা মামলায় গত সোমবার রাতে দীপু মনি ও জয়কে গ্রেপ্তার করা হয়।

গতকাল ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) কার্যালয় থেকে প্রথমে তাদের সিএমএম আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার পরিদর্শক তোফাজ্জল হোসেন।

গত ১৩ আগস্ট ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরীর আদালতে শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের বিরুদ্ধে এ মামলাটি করেন এসএম আমীর হামজা নামে এক ব্যক্তি।

এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, সাবেক আইজিপি আবদুল্লাহ আল মামুন, ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদ ও যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার।

মামলার অভিযোগে বাদী বলেন, গত ১৯ জুলাই বিকেল ৪টায় মোহাম্মদপুর থানাধীন বসিলা ৪০ ফুট চৌরাস্তায় হাজার হাজার মানুষ কোটা সংস্কার আন্দোলনের সমর্থনে মিছিল করছিলেন। সে আন্দোলন দমনের জন্য পুলিশ নির্বিচারে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালায়। সে সময় চৌরাস্তায় মুদি দোকানদার আবু সায়েদ (৪৫) রাস্তা পার হয়ে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার সময় পুলিশের গুলিতে মারা যান।

এজাহারে বলা হয়, নিহত আবু সায়েদের গ্রামের বাড়ি পঞ্চগড়ে এবং তার পরিবার অত্যন্ত গরিব, তাই তারা আইনের আশ্রয় নিতে পারছে না। এ কারণে সচেতন নাগরিক হিসেবে বাদী এ মামলাটি করেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত