কলকাতার হাসপাতাল আরজি করে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে মঙ্গলবার নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছে ‘পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ’। আর এই অভিযানকে ঘিরে তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয়ে ঢেকে ফেলা হয়েছে কলকাতাকে।
মূলত নবান্ন অভিযানকে ঘিরে সহিংসতার শংকায় এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ৬ হাজারেরও বেশি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে শহরজুড়ে।
মঙ্গলবার এ খবর জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি এবং আনন্দবাজার।
আনন্দবাজার জানায়, মঙ্গলবার দুপুর ১টা থেকে জমায়েত শুরু হবে বলে জানিয়েছে ছাত্র সমাজ। মূলত দু’টো জায়গায় জমায়েত করার পরিকল্পনা রয়েছে। তারপর সেখান থেকে নবান্নের উদ্দেশে যাবেন আন্দোলনকারীরা।
এদিকে মঙ্গলবারের নবান্ন অভিযানের অনুমতি দেয়নি রাজ্য পুলিশ। তাঁরা জানিয়েছে, এই অভিযানের জন্য প্রথমে পুলিশের কাছে কোনও অনুমতি চাওয়া না হলেও সোমবার দুপুরে দু’টি ইমেইল আসে। কিন্তু তাতে বেশ কয়েকটি সমস্যা থাকায় পুলিশ নবান্ন অভিযানের অনুমতি দেয়নি।
আর তাই নবান্ন অভিযান ঠেকাতে তৎপর পুলিশ। কলকাতা এবং হাওড়া মিলিয়ে প্রায় ২১ হাজার পুলিশকর্মী মঙ্গলবার রাস্তায় থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। নবান্ন যাওয়ার পথে বিভিন্ন জায়গায় ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ বলছে যে, তারা পশ্চিমবঙ্গে সভ্য নাগরিকদের ক্রোধের অপব্যবহার করে নৈরাজ্য সৃষ্টির ষড়যন্ত্রের প্রমাণ খুঁজে পেয়েছে। তাই এত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
ইউক্রেনে রয়টার্সের নিরাপত্তা উপদেষ্টা নিহত, আহত দুই সাংবাদিক