যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামীকাল মঙ্গলবার প্রথমবারের মতো প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের বিতর্কে মুখোমুখি হচ্ছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কমলা হ্যারিস ও রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। এটি উভয়ের মধ্যে প্রথম ও সম্ভবত শেষ টেলিভিশন বিতর্ক।
স্থানীয় সময় রাত ৯টায় ফিলাডেলফিয়ার ন্যাশনাল কনস্টিটিউশন সেন্টারে অনুষ্ঠেয় গুরুত্বপূর্ণ এ টেলিভিশন বিতর্কটি সরাসরি সম্প্রচারিত হবে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস ও সিয়েনা কলেজের যৌথ জরিপে দেখা গেছে, এবারের মার্কিন নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও কমলা হ্যারিসের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে পারে। খবর সিএনএন এবং আল জাজিরা।
এছাড়া জরিপে আরও দেখা যায়, ট্রাম্পের পক্ষে ৪৮ শতাংশ জনমত রয়েছে এবং কমলার পক্ষে রয়েছে ৪৭ শতাংশ। এ থেকে স্পষ্ট বোঝা যায়, এবারের মার্কিন নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে যাচ্ছে।
বিতর্কের মঞ্চে সত্যিকার অর্থে কি মঞ্চায়িত হতে যাচ্ছে, তা নিবিড়ভাবে প্রত্যক্ষ করতে অপেক্ষা করছেন লাখ লাখ আমেরিকান। নির্বাচনী লড়াইয়ে মরিয়া উভয়প্রার্থীর ঝুঁকিপূর্ণ এই বিতর্ক দেখবেন। বিতর্কটিকে দু’জনের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ ও জটিল পরীক্ষা হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে।
এছাড়া আমেরিকার নারী, কৃষাঙ্গ এবং দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকে (৫৯) নিয়ে বিরোধী প্রার্থী ট্রাম্পের আক্রমণাত্মক বক্তব্য থেমে নেই। সুতরাং বিতর্কেও ট্রাম্প তার আক্রমণাত্মক ভঙ্গি তুলে ধরবেন বলে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন।
অন্যদিকে বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা একসময় ক্যালিফোর্নিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল ও মার্কিন সিনেটর ছিলেন। তিনি নিজেও একজন পাকা বিতার্কিক। সুতরাং তিনি ট্রাম্পকে ছেড়ে দেবেন না বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ধরনের একেবারে ভিন্ন ধরনের দুই প্রার্থী এর আগে কখনো মুখোমুখি হননি। ফলে এ বিতর্ক হবে খুবই আকর্ষণীয় ও সচেতনতামূলক এবং নির্বাচনে জয় পরাজয় নির্ধারণকারী।
তবে বিতর্কের মঞ্চে কমলা ট্রাম্পকে কি ঘায়েল করতে পারবেন, নাকি ট্রাম্পের আক্রমণাত্মক বক্তব্যে নিজেই ধরাশায়ী হবেন এ নিয়ে চলছে জোর আলোচনা-সমালোচনা।
এখনও পর্যন্ত উভয়ের কেউই নতুন বিতর্কের বিষয়ে সম্মতি দেয়নি। তাই ধারণা করা হচ্ছে এটি ট্রাম্প ও কমলার মধ্যে প্রথম ও সম্ভবত শেষ টেলিভিশন বিতর্ক।
সপ্তাহে তিনদিন ছুটির যুগে প্রবেশ করল সৌদি
ইমরানকে মুক্তি দিতে আল্টিমেটাম, বিক্ষোভে উত্তাল পাকিস্তান