চারদিকে ঘোর অনিশ্চয়তা। প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বলে কিছু নেই। আজ যারা পদে বসে আছেন, আগামীকাল থাকতে পারবেন কিনা জানা নেই। এই অবস্থা পাবলিক সার্ভিস কমিশনেরও (পিএসসি)। অন্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশন নিজ থেকেই সরে গেছে। কিন্তু তাদের মতো সরতে চায়না পাবলিক সার্ভিস কমিশন। তাই কান পেতে আছেন ‘ডাক’ শোনার জন্য। এ ডাক কাজ চালিয়ে নেওয়ারও হতে পারে আবার সরে যাওয়ারও হতে পারে। এ পরিস্থিতিতে হাত গুটিয়ে বসেও থাকতে পারছেন না। রুটিন কাজ চালিয়ে নিতে গিয়েই সরকারের কাছে জানতে চেয়েছে ৪৭ বিসিএসের প্রার্থী সংখ্যা। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এ তথ্য পাঠাতে বলেছে কমিশন।
২ বছর ৯ মাস হয়ে গেল এখনো ভাইভাতেই বসতে পারলাম না। কবে ভাইভা হবে, কবে ফল প্রকাশ হবে আমি কিছু ভাবতে পারছি না।
৪৪তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষার অপেক্ষায় থাকা এক প্রার্থী দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘২০২২ সালের ১ জানুয়ারি আমি চাকরির আবেদন করি। একই বছরের ২৭ মে প্রিলিমিনারিতে বসি। এরপর লিখিত শেষে করে ভাইভার জন্য প্রস্তুত হয়েছি। এরমধ্যেই আন্দোলন শুরু হলো। ২ বছর ৯ মাস হয়ে গেল এখনো ভাইভাতেই বসতে পারলাম না। কবে ভাইভা হবে, কবে ফল প্রকাশ হবে আমি কিছু ভাবতে পারছি না। ফল প্রকাশের পর আছে পুলিশ ভেরিফিকেশনের ঝামেলা। সেই কাজে লেগে যায় এক দেড় বছর। সব কিছু মিলে চোখে অন্ধকার দেখছি। সরকারের নীতিনির্ধারকদের উচিত চলমান বিসিএসগুলোর জন্য গ্রিন সিগন্যাল দেওয়া। কারণ এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খুলেছে। শিক্ষার্থীরা হলে উঠেছেন। এখন বিসিএসগুলো আটকে রাখার কোন কারণ দেখছি না।’
বিস্তারিত পড়ুন এখানে
ছোট্ট ক্লিয়ারেন্সই মস্ত চ্যালেঞ্জ পিএসসির