বেশ কয়েকবার জয়সোয়ালকে বিপদে ফেলেও আউট করতে পারেননি। ৪২তম ওভারে ভাগ্য সহায় হলো তার। ১৪৮ কিলোমিটার গতির বলটি জয়সোয়ালের ব্যাটের কানা নিয়ে স্লিপে সাদমানের হাতে জমা পড়েছে। ১১৮ বলে ৫৬ রানে আউট হলেন জয়সোয়াল।
সেঞ্চুরির দেখা আর হলো না। যখন ফিরে যাচ্ছিলেন ড্রেসিংরুমের দিকে তখন ধাভাষ্যকার রবি শাস্ত্রী বললেন, উইকেটটি ‘ডিজার্ভ’ করেন নাহিদ রানা।
ক্রিজে লোকেশ রাহুলের নতুন সঙ্গী হন রবীন্দ্র জাদেজা। কিন্তু নতুন সঙ্গীকে একা রেখে বিদায় নেন রাহুলও। যেখানে আবার তামিম ইকবালকে সত্য প্রমাণ করলেন তিনি। ধারাভাষ্যকক্ষে তামিম বলছিলেন, স্পিনারদের কাছ থেকে উইকেট প্রয়োজন বাংলাদেশের। তখন বোলিং করছিলেন মেহেদি হাসান মিরাজ।
তামিমের মুখের কথা মুখে থাকতেই ৪৩তম ওভারে তৃতীয় বলে শর্ট লেগে রাহুলকে জাকির হাসানের ক্যাচে পরিণত করেন এই স্পিনার।
৫ বলের ব্যবধানে ২ উইকেট নিয়ে ভারতকে আবারও চাপে ফেলল বাংলাদেশ। ক্রিজে জাদেজার সঙ্গী রবিচন্দ্রন অশ্বিন।
ভারত প্রথম ইনিংসে ৪৩ ওভারে ৬ উইকেটে ১৪৯।
জয়সোয়ালের ফিফটি, এগোচ্ছেন সেঞ্চুরির পথে
আবারও হাসানের উইকেট, এবার শিকার পন্ত
৯০ বছরে দ্বিতীয়বার শান্তর মতো ‘সাহস’ দেখল চেন্নাই