যৌথ বাহিনীর অভিযানে গত ২৬ দিনে বিভিন্ন ধরনের ২৪৩টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় ১১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গতকাল সোমবার পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ সদর দপ্তর জানায়, গত ৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে ২৬ দিনে ২৪৩টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছে ১১০ জন। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে রিভলবার ১৩টি, পিস্তল ৬৭টি, রাইফেল ১৪টি, শটগান ৩১টি, পাইপগান ৬টি, শুটারগান ২৪টি, এলজি ২৫টি, বন্দুক ৩৯টি, একে-৪৭ ১টি, গ্যাসগান ২টি, এয়ারগান ৫টি, এসবিবিএল ৭টি, এসএমজি ৫টি, টিয়ার গ্যাস লঞ্চার ২টি ও ২টি থ্রি-কোয়ার্টার উদ্ধার করা হয়েছে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সারা দেশে বিক্ষুব্ধ জনতা বিভিন্ন থানায় অগ্নিসংযোগ ও হামলা চালায়। থানা ও ফাঁড়িতে হামলার পর অস্ত্র-গোলাবারুদ লুট করে নেয় দুর্বৃত্তরা। গত ৩ সেপ্টেম্বর ছিল অস্ত্র-গোলাবারুদ জমা দেওয়ার শেষ দিন। এরপর ৪ সেপ্টেম্বর থেকে লুট ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে যৌথ বাহিনীর অভিযান চালায়। যৌথ অভিযানে রয়েছে সেনাবাহিনী, পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, কোস্ট গার্ড ও র্যাব।
