সিলেটের বিয়ানীবাজারে সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক হযরত আলী (৩০) হত্যা মামলায় পাঁচ জনের ফাঁসির রায় দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক শায়লা শারমিন এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার রওশন আলীর ছেলে শহিদুল ইসলাম (২১), শান্তিগঞ্জ উপজেলার বাদশা মিয়ার ছেলে সুমন আহমদ (১৯), একই উপজেলার ফয়জুল বারীর ছেলে শিপু মিয়া (১৯), মাসুক মিয়ার ছেলে জাকারিয়া মুন্ন (২০) ও হরমুজ আলীর ছেলে রুহল আমিন (২০)। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা পলাতক রয়েছেন।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, সুনামগঞ্জ জেলার মঙ্গলকাটা বাজারের জাহাঙ্গীরনগর এলাকার সাইদ মিয়ার ছেলে সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক হযরত আলী। তিনি সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমা এলাকার আলমপুরে খালেদ মিয়ার কলোনিতে ভাড়া থেকে অটোরিকশা চালাতেন। ২০১৪ সালের ১৭ আগস্ট সকাল ১০টার দিকে অটোরিকশা নিয়ে বের
হলে আসামিরা সিলেটের বিয়ানীবাজার যাওয়ার কথা বলে ভাড়া নেয়।
পথিমধ্যে কৌশলে ছুরিকাঘাত করে চালককে ফেলে অটোরিকশা ছিনিয়ে নিয়ে যায় আসামিরা। ছুরিকাঘাতে হযরত আলী মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই শুক্কুর আলী বাদী হয়ে বিয়ানীবাজার থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ৪ নভেম্বর পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা (এসআই)
বাছিত মিয়া।
মামলাটির অভিযোগ গঠনের পর আসামিদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়ায় ২৪ জন সাক্ষীর ১৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে
বিচারক এ রায় দেন। মামলায় আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট হাসান আহমদ।
নিহতের ছোট ভাই শুক্কুর আলী সাংবাদিকদের বলেন, মামলার রায়ে আমরা খুশি। দ্রুত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার করে ফাঁসি কার্যকর করার দাবি জানাচ্ছি।
সাভারে দুই কার্টনে মিলল নারীর মাথাবিহীন খণ্ডিত লাশ