বাংলাদেশে দুর্গাপূজার মণ্ডপে হামলা অনাকাক্সিক্ষত এবং সামাজিক সম্প্রীতির বিষয়ে সঠিক বার্তা দেয় না বলে মন্তব্য করেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গতকাল শুক্রবার নয়াদিল্লিতে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘সংখ্যালঘুদের বিষয়ে ভারত বারবার বাংলাদেশকে জানিয়েছে এবং বলেছে যে সেখানে সংখ্যালঘুদের সুরক্ষার প্রয়োজন। এটা আমাদের প্রত্যাশা যে সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা দেওয়া উচিত।’
জয়সওয়াল বলেন, ‘দুর্গাপূজার মণ্ডপে হামলার বিষয়টি বাংলাদেশের আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির পরিপ্রেক্ষিতে দেখা উচিত।’
ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মুস্তাফিজুর রহমানকে দেশে ফেরত নেওয়ার বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সিদ্ধান্ত দুদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে জটিল করে তুলতে পারে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কূটনীতিকদের ফিরিয়ে নেওয়া একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়।’
সম্প্রতি নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সার্ককে নতুন করে পরিচালনার কথা বলেছেন। সার্কের বিষয়ে ভারতের অবস্থান জানতে চাইলে জয়সওয়াল বলেন, ‘আমরা আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং যোগাযোগে যথেষ্ট গুরুত্ব দেই। এ কারণে আমরা বিমসটেককে গুরুত্ব দিয়েছি। সার্কের বিষয়ে, আমরা আঞ্চলিক সহযোগিতা চাই তবে আপনারা জানেন যে এর অধীনে আঞ্চলিক সহযোগিতার কেন অগ্রগতি হয়নি। কারণ বিশেষ করে একটি দেশের কাজের বিশেষ পদ্ধতির কারণে সার্ক আটকে যাচ্ছে।’ পাকিস্তানের নাম উল্লেখ না করে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এমন মন্তব্য করেন।
২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে জম্মু-কাশ্মীরে ভারতের সেনা ক্যাম্পে হামলার পর থেকে সার্ক সভা এবং শীর্ষ সম্মেলন স্থগিত রয়েছে।
