হত্যাচেষ্টার অভিযোগে বগুড়া ও ফরিদপুরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং দলের জেলা পর্যায়ের কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে দুটি মামলা হয়েছে। গত শুক্রবার রাতে বগুড়া সদর ও বৃহস্পতিবার রাতে ফরিদপুুর কোতোয়ালি থানায় মামলা দুটি হয়েছে।
বগুড়ার মামলায় শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদের জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও জেলা জাতীয় পার্টি সভাপতিসহ ১৩২ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া আসামি করা হয়েছে অজ্ঞাতপরিচয় ৪০০ জনকে।
বগুড়া শহরতলির আকাশতারা গ্রামের জেল্লাল ফকিরের ছেলে আবদুল মজিদ বাদী হয়ে শুক্রবার রাতে সদর থানায় ওই মামলা করেন।
গত ১৭ জুলাই বগুড়া শহরের কাঁঠালতলা এলাকায় জনতার ওপর হামলার ঘটনায় বাদী আহত হয়েছেন। তার চোখে মারাত্মক আঘাত লেগেছে। তার অভিযোগ বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে আসামিরা শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদেরের নির্দেশে ওই হামলা করেছে।
গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বগুড়া সদর থানার ওসি এস এম মঈন উদ্দিন।
ফরিদপুরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১২৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৪০০-৫০০ জনকে আসামি করে হত্যাচেষ্টার মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় এ মামলাটি করেন শহরের মাহমুদপুর এলাকার মুজাহিদুল ইসলাম। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে কোতোয়ালি থানার ওসি মো. আসাদুজ্জামান। মামলায় শেখ হাসিনা ছাড়াও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আবদুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামীম হক, সাধারণ সম্পাদক শাহ মো. ইশতিয়াক আরিফকেও আসামি করা হয়েছে।
মামলার বাদী মুজাহিদুল ইসলাম তার আর্জিতে জানান, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় তার স্কুলপড়ুয়া মেয়ে আন্দোলনের একটি মিছিলে অংশ নেয়। মিছিল চলাকালীন ছাত্রলীগ-যুবলীগের হামলায় অন্যান্য শিক্ষার্থীর মতো তার মেয়েও আহত হয়।
