মিরাজকে অপেক্ষায় রেখে দিনের খেলার সমাপ্তি

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২৪, ০৪:৩৩ পিএম

বৃষ্টির বাগড়ায় ঢাকা টেস্টের তৃতীয় দিনের বেশিরভাগটাই ভেস্তে গেল। বৃষ্টির কারণে প্রথম দফায় ৮০ মিনিট খেলা বন্ধ ছিল। এরপর পাঁচ ওভার খেলা হয়। কিন্তু আলোকস্বল্পতার কারণে ফের বন্ধ হয়ে যায়। এরপর আর খেলা শুরু করা সম্ভব হয়নি। বেলা ৪টার দিকে দিনের খেলার ইতি টানা হয়।

সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে থাকা মেহেদি মিরাজের অপেক্ষা দীর্ঘায়িত হলো। দিনশেষে বাংলাদেশের স্কোর ৭ উইকেটে ২৮৩ রান। লিড হয়েছে ৮১ রানের। মিরাজ ১৭১ বলে ৮৭ রানে অপরাজিত আছেন। তার সঙ্গী নাঈম হাসান ২৮ বলে ১৬ রানে অপরাজিত। রাবাদা নিয়েছেন ৪ উইকেট, মহারাজ ৩টি। আগামীকাল ম্যাচের চতুর্থ দিন পৌনে ১০টায় খেলা শুরু হবে।

মেঘলা আকাশের নিচে আজ বুধবার ৩ উইকেটে ১০১ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। কাগিসো রাবাদার করা দিনের চতুর্থ ওভারেই উদ্ভট শট খেলতে প্রথম স্লিপে ধরা পড়েন ৯২ বলে ৫ চারে ৪০ রান করা মাহমুদুল। এক বল পরেই আউট মুশফিক। রাবাদার সেই ভেতরে ঢোকা বলে বোল্ড হয়ে থামল তার ২৩ রানের ইনিংস। এরপর পালা লিটন দাসের (৭) । কেশব মহারাজের স্টাম্পে পিচ করা বল লিটনের ব্যাট ছুঁয়ে কিপারের গ্লাভসে জমা পড়ে। আম্পায়ার আঙুল না তুললে রিভিউ নিয়ে জয়ী হয় দক্ষিণ আফ্রিকা।

১১২ রানে ৬ উইকেট পতনের পর মেহেদি মিরাজ আর জাকের আলী প্রতিরোধের চেষ্টা করেন। এই জুটিতেই ইনিংস হার এড়িয়ে লিড নেয় বাংলাদেশ। ৯৪ বলে ক্যারিয়ারের ৯ম ফিফটি পূরণ করেন মিরাজ। মধ্যাহ্নবিরতির আগে বাংলাদেশ ৬৩ ওভারে তুলেছে ২০১ রান। বিরতির পর ১০২ বলে অভিষেক টেস্ট ফিফটি তুলে নেন জাকের। দুজনেই দ্রুত রান তুলছিলেন। তবে ১৩৮ রানের মহামূল্যবান এই জুটি ভাঙে জাকেরের বিদায়ে।

কেশব মহারাজের বলে এলবিডাব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন জাকের। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি। ফিরতে হয় ১৪১ বলে ৮ চার ১ ছক্কায় ৭৩ রানে। মিরাজ-জাকেরের জুটি টেস্টে যে কোনো উইকেটেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ। এর আগে ২০০৩ সালে চট্টগ্রামে হাবিবুল বাশার ও জাভেদ ওমরের করা ১৩১ রানের জুটি ছিল সর্বোচ্চ। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত