টেস্ট ক্রিকেট ধৈর্যের খেলা। তবে স্পিন ঘুর্ণিতে বড় বড় ব্যাটসম্যানদের কুপোকাপ হওয়ার নজির বহু আছে। আজ তেমনই এক দিন দেখল ক্রিকেট বিশ্ব। একই দিনে ভিন্ন তিন ভেন্যুতে হওয়া তিন টেস্টে স্পিনাররা উইকেট নিয়েছেন ২৫টি।
আজ তিনটি টেস্টে একদিনে মোট উইকেট পড়েছে ৩০টি, যার ২৫টি নিয়েছেন দলে থাকা স্পিন বোলাররা। তাই টেস্টে আজ ছিল স্পিনারদের দিন তা বলাই যায়।
ঢাকার মিরপুর স্টেডিয়াম স্পিন সহায়ক। বাংলাদেশের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্ট জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন পেসার কাগিসো রাবাদা। তবে আজ মিরপুর টেস্টের চতুর্থ দিনে দুই দলের মোট ৬ উইকেট পড়ে। বাংলাদেশের ইনিংসের শেষ তিনটি এবং দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ উইকেট। প্রোটিয়াদের দ্বিতীয় ইনিংসের ৩টি উইকেটই নেন বাংলাদেশের বাঁ-হাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম।
পুনেতে নিউজিল্যান্ডের প্রথম ইনিংসের ১০ উইকেট তুলে নেন ভারতের দুই ডান-হাতি অফ স্পিনার। ওয়াশিংটন সুন্দর নেন ৫৯ রানে ৭ উইকেট। যা তার ইনিংসসেরা বোলিং। রবিচন্দ্রন অশ্বিন নেন ৩ উইকেট। ভারতের ইনিংসে এক উইকেট পড়লেও সেটি নেন কিউই পেসার।
এদিকে রাওয়ালপিন্ডিতে ইংল্যান্ড ও পাকিস্তান টেস্টে আজ একদিনে পড়েছে ১৩ উইকেট। যার ১২ টি নিয়েছেন দুই দলের স্পিনাররা। পাকিস্তানের উইকেট সাধারণত পেস সহায়ক হলেও এবার রাওয়ালপিন্ডিতে স্বাগতিকরা তৈরী করেছে স্পিন সহায়ক উইকেট।
ইংল্যান্ডের ইনিংসে ১০ উইকেট নেন পাকিস্তানের তিন স্পিনার মিলে। অফ স্পিনার সাজিদ খান নেন ৬ উইকেট, ৩টি নেন বাঁ-হাতি স্পিনার নোমান আলী, অপরটি নেন লেগ স্পিনার জাহিদ মাহমুদ। জবাব দিতে নেমে পাকিস্তান আজ প্রথম দিনে হারায় ৩ উইকেট। যার দুটি নিয়েছেন ইংল্যান্ডের দুই স্পিনার শোয়েব বশির ও জ্যাক লিচ।
ফুটবল বাঁচাতে ইমরুলের টনিক ‘ফুটবল ৩৬০’
ইংল্যান্ডকে ২৬৭ রানে গুটিয়ে দিয়েও অস্বস্তিতে পাকিস্তান
সুন্দরের সুন্দর বোলিংয়ে কিউইরা কুপোকাত
নিজের বুকে ক্যামেরা নিয়ে টিকটকে খেলা দেখাবেন মেসি