‘ইসলামবিদ্বেষী কর্মকাণ্ড ছাত্র-জনতা বরদাশত করবে না’

আপডেট : ৩০ অক্টোবর ২০২৪, ০৭:৩৬ পিএম

ইসলামী আইনজীবী পরিষদের নেতারা বলেছেন, ঢাকায় জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিস খোলার আগে তাদের দেশে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন বেশি। পশ্চিমাদের ইন্ধনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে। তাদের ইন্ধনে ফিলিস্তিন, ইরান, লেবাননসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইসরাইল-আমেরিকার মদদে অশান্তির আগুন জ্বালিয়ে রেখেছে।

আজ বুধবার এক বিবৃতিতে দলটির নেতারা এই কথা বলেন। বিবৃতিতে সাক্ষর করেন ইসলামী আইনজীবী পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাডভোকেট শেখ লুৎফুর রহমান, সহসভাপতি অ্যাডভোকেট শওকত আলী হাওলাদার, অ্যাডভোকেট হারুন অর রশিদ, সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মশিউর রহমান, অ্যাডভোকেট মানিক মিয়া।

ইসলামী আইনজীবী নেতৃবৃন্দ ঢাকায় জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিস খোলার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার সংষ্কারের মাধ্যমে একটি অংশগ্রহণমূলক গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের আয়োজন করবে। কোনও স্পর্শকাতর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া তাদের কাজ নয়। ১০ বছর চেষ্টা চালিয়ে শ্রীলঙ্কায় মানবাধিকারের কান্ট্রি অফিস খুলতে তারা ব্যর্থ হয়। ৩৬ জুলাই-এর অভ্যুত্থানের পর নানা দেশি-বিদেশি চক্রান্ত সক্রিয়।

তারা বলেন, বাংলাদেশে জাতিগত কোনও সংঘাত হয়নি যে, জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিস খুলতে হবে। তাছাড়া ঐ অফিসের বিরুদ্ধে দেশে দেশে সমকামিতার প্রমোট করার অভিযোগ রয়েছে। সভায় ৯২ ভাগ মুসলমানের দেশে সমকামিতার প্রমোট করার মতো জঘন্য ও আত্মঘাতি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ঢাকায় জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিস খুলে সমকামিদের প্রমোট করার আত্মঘাতি সিদ্ধান্ত নিলে জনগণ রুখে দিবে। কোনো উপদেষ্টা সমকামিতাকে উস্কে দিতে চাইলে ছাত্র-জনতা রুখে দেবে। যেকোনো ইসলামবিদ্বেষী কর্মকাণ্ড ছাত্র জনতা বরদাশত করবে না।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত