আগামী মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। ভোটারদের নিজেদের পক্ষে টানতে দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কমলা হ্যারিস ও রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্প নানা কৌশল অবলম্বন করেছেন।
অভিযোগ উঠেছে, এক্ষেত্রে হ্যারিস অনেকটা দ্বিমুখী নীতি অবলম্বন করেছেন। দোদুল্যমান রাজ্য মিশিগান ও পেনসিলভেনিয়ার ইহুদি-মুসলিম ভোটারদের নিজের পক্ষে টানতে এমন কৌশল অবলম্বন করেছেন ডেমোক্র্যাট দলীয় এ প্রার্থী। শুক্রবার (১ নভেম্বর) সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানানো হয়।
পেনসিলভানিয়ার ইহুদি ভোটারদের আকৃষ্ট করতে গত মাসে ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের ফেসবুক বিজ্ঞাপনের ওপর আলোকপাত করে সিএনএন। যেখানে দেখা যায়, হ্যারিস তার ডেমোক্রেটিক ন্যাশনাল কনভেনশনে দেওয়া বক্তৃতায় ইসরায়েলের আত্মরক্ষায় পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।
বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই- আমি সবসময় ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকারের পক্ষে দাঁড়াব। ইসরায়েলের নিজেকে রক্ষা করার ক্ষমতা আমি সবসময় নিশ্চিত করব। কারণ ইসরায়েলের জনগণকে আর কখনো সেই ভয়াবহতার মুখোমুখি হতে হবে না, যা হামাস নামে একটি ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ ৭ অক্টোবর অবর্ণনীয় গণহত্যাসহ ঘটিয়েছে।’
ইরান ও ইরান সমর্থিতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় যেকোনো পদক্ষেপ নিতে কখনোই দ্বিধা করবেন না বলেও জানান হ্যারিস।
এদিকে মিশিগানের আরব-আমেরিকানদের লক্ষ্য করে হ্যারিসের প্রচারণার পৃথক আরেকটি বিজ্ঞাপনে দেখা যায়, তিনি গাজার বেসামরিক নাগরিকদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করছেন। ভিডিওটির ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ভাইস প্রেসিডেন্ট হ্যারিস গাজার দুর্ভোগ নিরসনে কাজ করছেন।
বিজ্ঞাপনে হ্যারিস বলছেন, ‘গত নয় মাসে গাজায় যা ঘটেছে তা ধ্বংসাত্মক। নিজেদেরকে দুর্ভোগের কাছে ছেড়ে দিতে পারি না এবং আমি নীরব থাকব না। একই বিজ্ঞাপনে প্রদর্শিত অন্য একটি বক্তব্যে হ্যারিস বলেছেন, আমাদের সাধারণ মানবতা আমাদের কাজ করতে বাধ্য করে।
বাংলাদেশ নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্য নির্বাচনী প্রচারণার অংশ: খালিদ হোসেন
বিদ্যুৎ বন্ধ নয়, আরও সরবরাহ বাড়বে