ধামরাইয়ে গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, আটক ১

আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০২৪, ০৬:৪৩ এএম

ঢাকার ধামরাইয়ে তুচ্ছ ঘটনা কেন্দ্র করে এক সন্তানের জননী কুলসুম আক্তারকে (৩২) পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। গত বুধবার রাতে উপজেলার ভাড়ারিয়া ইউনিয়নের পূর্ব পাইকপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে জোবেদা বেগম নামে এক নারীকে গ্রেপ্তারের পর গতকাল বৃহস্পতিবার আদালতে পাঠিছে পুলিশ।

এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই ইকবাল হোসেন বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে মামলা করেছেন।

আসামিরা হলেন নিহতের শাশুড়ি বানু বেগম, শ্বশুর আয়নাল পাগলা, নানিশাশুড়ি জোবেদা বেগম ও ভাতিজি ইয়াসমিন আক্তার।

নিহত কুলসুম নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানার নোয়াপাড়া গ্রামের হাসান আলীর মেয়ে। নিহতের শরীরে, হাতে ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

জানা যায়, গত বুধবার পারিবারিক কলহের জেরে শাশুড়ি, নানিশাশুড়ি ও ভাতিজি মিলে স্বামী ইয়ার হোসেনের সামনেই কুলসুমকে বেধড়ক মারধর করেন। একপর্যায়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

এদিকে কুমিল্লার দক্ষিণ চর্থা এলাকার মারকাজুন নুর ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার টয়লেট থেকে এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত বুধবার রাতে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের দাবি, হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়। নিহত শিক্ষার্থী তাওহীদ হোসেন (১২) চৌদ্দগ্রাম উপজেলার রামরায় গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে।

জানা যায়, গত বুধবার রাতে মাদ্রাসার এক শিক্ষার্থী টয়লেটের ভেন্টিলেটরের সঙ্গে তাওহীদের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পেয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষে জানায়। তারা পুলিশকে জানালে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মাদ্রাসার পরিচালক নাজির আহমেদ ফাহিম বলেন, ছেলেটি দুপুর ২টায় ওয়াশরুমে গিয়েছিল। অনেক খোঁজার পর রাত ৮টায় জানা যায় ছেলেটি বাথরুমে আত্মহত্যা করেছে।

এদিকে, পরিবার দাবি করছে ছেলেটিকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তার কোমরসহ বিভিন্ন স্থানে থেতলানোর মতো কালো দাগ দেখা যায়। কোতোয়ালি থানার ওসি মহিনুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে বিস্তারিত জানা যাবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত