সাতক্ষীরাসহ দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে বর্ষা মৌসুমে ঘটে যাওয়া স্মরণকালের রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতা মোকাবিলা করে খাদ্যভা-ার সমুন্নত রাখতে সাতক্ষীরায় বিনার শীর্ষ কৃষিবিজ্ঞানীদের কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলায় বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) উদ্ভাবিত জাত ও প্রযুক্তিগুলো সম্প্রসারণ এবং বিদ্যমান শস্যবিন্যাসে অন্তর্ভুক্তকরণ শীর্ষক আলোচনা ও আঞ্চলিক কর্মশালায় এসব কথা বলেন দেশের শীর্ষ
কৃষিবিজ্ঞানীরা। সকাল ১০টায় বিনা সাতক্ষীরা উপকেন্দ্র ‘বিনার গবেষণা কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ’ প্রকল্পের আওতায় দিনব্যাপী এই কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালার প্রথমে পর্বে সাতক্ষীরা ও খুলনার কৃষক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, বীজ ডিলার, এনজিও, বিনা, বারি, ব্রি, বিএডিসি, বিশ্ববিদ্যালয়সহ অধিক্ষেত্রের ১০০ জন এবং দ্বিতীয় পর্বে নড়াইল ও বাগেরহাটের ১০০ জন অংশ নেন।
কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিনার উদ্ভিদ দেহতত্ত্ব বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. বাবুল আকতার। এতে তিনি খুলনা অঞ্চলে জলাবদ্ধতা, লবণাক্ততা, জমি দেরিতে ফসল চাষের উপযোগী হওয়া, সেচ সংকট, উপযোগী জাতের সংখ্যা কম হওয়া, মাটি ব্যবস্থাপনাসহ নানা সমস্যার কথা উল্লেখ করে ফসলের জাত নির্ধারণ, চাষাবাদ, ফসল উৎপাদন, বীজ সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণের নানা কৌশল তুলে ধরেন।
কর্মশালায় উল্লিখিত প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে ফসল উৎপাদনের জন্য বোরো মৌসুমে বিনাধান ১০, বিনাধান ২৪ ও বিনাধান ২৫, আমন মৌসুমে বিনা ২৩, উঁচু জমির জন্য বিনা ১৭, জিংক ও আয়রন সমৃদ্ধ বিনা ২০, আউশ মৌসুমের জন্য বিনা ১৯ জাতের ফসল চাষের পরামর্শ দেওয়া হয়।
