আইপিএলের মেগা নিলাম আগামী ২৪-২৫ নভেম্বর সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত হবে। কে কোন দলে যাবেন, সেই চর্চা এখন তুঙ্গে। নিলামের আগে পাঁচজন ক্রিকেটারকে ধরে রেখেছে চেন্নাই সুপার কিংস। সেই তালিকায় জায়গা হয়নি গত আসরে চেন্নাইয়ের হয়ে খেলা বাংলাদেশি পেসার মোস্তাফিজুর রহমান, কিউই ব্যাটার রাচিন রবীন্দ্রসহ আরও বেশ কয়েকজনের।
কেন তাদের রাখা হয়নি, রিটেনশন নিয়ে চেন্নাইয়ের পরিকল্পনাই বা আসলে কি ছিল, এবার নিজেদের সেই ব্যাখ্যা দিলো চেন্নাই।
এবার তারা ধরে রেখেছে রুতুরাজ গায়কোয়াড়, মাথিশা পাথিরানা, শিবাম দুবে, রবীন্দ্র জাদেজা এবং মহেন্দ্র সিং ধোনিকে। এ ছাড়া নিয়ম অনুযায়ী, নিলামে আরও একজন ক্রিকেটারকে আরটিএম (রাইট টু ম্যাচ) কার্ড ব্যবহার করে দলে ফেরাতে পারবে তারা। যদিও খুব বেশি টাকা ভাণ্ডারে নেই চেন্নাইয়ের। তাদের হাতে রয়েছে আর মাত্র ৫৫ কোটি টাকা।
এই টাকায় যে বড় মাপের ক্রিকেটার তারা পাবেন না, তা একপ্রকার স্বীকার করে নিয়েছেন সিএসকের সিইও কাশী বিশ্বনাথন। তার বক্তব্য, ‘আমরা জানতাম, এদের দলে রাখলে আমরা অন্য দলগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামতে পারব না। বিশেষ করে যদি সেটা সেরা ভারতীয় প্লেয়ারদের দলে নেওয়ার প্রসঙ্গে হয়। আমরা চেষ্টা করব ঠিকই। কিন্তু আমার মনে হয় না, নিলাম থেকে সেরা ভারতীয় ক্রিকেটার তুলতে পারব।’
সেই বিষয়ে সচেতন হয়েও কেন রিটেনশনের বিষয়ে সাবধানী হলো না সিএসকে? আর কীভাবেই বা ঠিক করা হলো কাদের ধরে রাখা হবে? চেন্নাইয়ের সিইও বলছেন, ‘আমরা অধিনায়ক রুতুরাজ, ধোনি এবং স্টিফেন ফ্লেমিংয়ের সঙ্গে রিটেনশনের আগে এই বিষয়ে কথা বলেছি। আমাদের কাছে অত্যন্ত পরিষ্কার ছিল, কোন প্লেয়াররা গতবছর আমাদের দলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন এবং ভবিষ্যতে সাহায্য করতে পারে। তাই রিটেনশনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন ছিল না।’
টুর্নামেন্টটির সর্বশেষ আসরের নিলামের একেবারে শেষদিকে মোস্তাফিজের নাম তোলা হয়। যেখানে তার ভিত্তিমূল্য ছিল ২ কোটি রুপি। নিলামে তার জন্য শুরুতেই বিট করে চেন্নাই। তবে আর কোনো দল আগ্রহ না দেখানোয় ওই ভিত্তিমূল্যেই বাংলাদেশি এই পেসারকে পেয়ে যায় ধোনির দল।
চেন্নাইয়ের হয়ে অভিষেক আসর খেলতে নেমে খুব একটা খারাপ করেননি ফিজ। ৯ ম্যাচে ১৪ উইকেট নিয়ে আসর ছাড়ার সময়ও যৌথভাবে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির আসনটা ধরে রেখেছিলেন তিনি। তবে আসন্ন আসরের আগে আর তাকে নিয়ে আগ্রহ দেখায়নি কর্তৃপক্ষ।
রানাকে যত্নে রাখার পরামর্শ ইয়ান বিশপের