পাঁচ টেস্ট খেলার পর ওয়ানডেতে অভিষেক হয়েছে নাহিদ রানার। একদিনের আন্তর্জাতিকে প্রথম ম্যাচেই ছড়ালেন দ্যুতি। শারজার মন্থর উইকেটেও ধারাবাহিকভাবে ঘণ্টায় ১৪৫ কিলোমিটারের আশপাশে বোলিং করেছেন, তুলেছেন ১৫১ কিলোমিটার গতিও। এমন গতিময় বোলিং দিয়ে আলোচনায় এসেছেন এই তরুণ।
শুধু গতি নয়, ওয়ানডে অভিষেকের প্রথম স্পেলে গতির সঙ্গে নাহিদের নিয়ন্ত্রণও ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রথম ৫ ওভারে মাত্র ১৩ রান দিয়ে ১ উইকেট নিয়েছেন তিনি। সবটাই মুগ্ধ করেছে সাবেক ক্যারিবীয় পেসার ইয়ান বিশপকে। যিনি নিজেও ক্যারিয়ারের শুরুতে ছিলেন বিশ্বের অন্যতম গতিময় বোলারদের একজন। তবে চোট-আঘাতের সঙ্গে পেসারদের লড়াইয়ে পেরে উঠতে না পেরে ৪৩ টেস্ট ও ৮৪ ওয়ানডেতে থেমে যেতে হয় বিশপকে।
তবে এখন যেকোনো তরুণ পেসারকে দেখলেই রোমাঞ্চিত হয়ে ওঠেন জনপ্রিয় এই ধারাভাষ্যকার। রবিবার রানাকে তার প্রথম স্পেলে স্পিডমিটারে ঝড় তুলতে দেখে নিজের এক্স অ্যাকাউন্টে সে রোমাঞ্চটা ভাগাভাগি করে নেন। রানার মতো পেসারদের সুস্থ রাখার পরামর্শও দিয়েছেন, ‘বাংলাদেশকে সক্রিয় হতে হবে। সেরা স্ট্রেন্থ ও কন্ডিশনিং বিশেষজ্ঞ ও ডায়েটিশিয়ানকে চাকরি দিতে হবে। নাহিদ রানা ও তাদের পেস বোলিং দলটাকে হারিয়ে যেতে দেওয়া যাবে না। নাহিদের গতি খুবই প্রশংসনীয়।’
বিশপের শঙ্কিত হওয়ার কারণও আছে। বাংলাদেশ ক্রিকেটে পেস বোলারদের ইতিহাস ঘাঁটলে তালহা জুবায়ের, মাশরাফী বিন মুর্তজার চোটের সঙ্গে লড়াইয়ের গল্প খুঁজে পাবেন। তাসকিন আহমেদও গতি দিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন। হারিয়েও গিয়েছিলেন। পরে কঠোর পরিশ্রম করে ফিরে এসেছেন। রানার ক্ষেত্রে এমন কিছু না হোক, বিশপ সে আশাই করছেন।
বাংলাদেশের বিপক্ষে সেঞ্চুরিতে শচিন-কোহলিদের ছাড়িয়ে গুরবাজ