আমু রিমান্ড শেষে কারাগারে শম্ভু ৬ দিনের রিমান্ডে

আপডেট : ১৩ নভেম্বর ২০২৪, ০৭:৩৬ এএম

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমুকে রিমান্ড শেষে কারাগারে এবং সাবেক সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। গতকাল মঙ্গলবার সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শরীফুর রহমান উভয়পক্ষের শুনানি শেষে জামিনের আবেদন নাকচ করে দিয়ে আমুকে কারাগারে পাঠানো নির্দেশ দেন এবং শম্ভুর ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের রমনা জোনাল টিমের পুলিশ পরিদর্শক জাহাঙ্গীর আরিফ আমুকে ছয় দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন এবং ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন।

আমুকে গত ৭ নভেম্বর ছয় দিনের রিমান্ড নেয় ডিবি পুলিশ। ৬ নভেম্বর রাজধানীর ধানম-ি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আর ১১ নভেম্বর রাতে রাজধানীর উত্তরা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় শম্ভুকে। ওবায়দুল কাদেরের ব্যক্তিগত সহকারী রিমান্ডে : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) আবদুল মতিনের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। সরকারি ইস্পাহানী কলেজের শিক্ষার্থী রিয়াজ হোসেন হত্যা মামলায় আবদুল মতিনের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সালেহ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পরিদর্শক মো. ইলিয়াস হোসেন সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। আদালত উভয়পক্ষের শুনানি শেষে জামিনের আবেদন নাকচ করে দিয়ে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।

গত রবিবার রাতে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার শাক্তা ইউনিয়নের চরওয়াশপুর গ্রামের একটি বাড়ি থেকে মতিনকে আটক করা হয়। ‘মমতাজ মহল’ নামে ওই বাড়িটি তার স্ত্রীর। মতিন বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ থানার চরখাগকাটা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ওবায়দুল কাদেরের ব্যক্তিগত সহকারীর পাশাপাশি ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।

তারেক রহমানের সাবেক এপিএস অপুকে অব্যাহতি : সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাবেক একান্ত সহকারী সচিব (এপিএস) মিয়া নুরুদ্দিন অপুকে অব্যাহতি দিয়েছে আদালত। এ মামলায় দীর্ঘদিন সাক্ষী না আসায় ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আবদুল হালিম অব্যাহতি দেন।

মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদ অপু একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুর-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ছিলেন। ২০১৯ সালের ৪ জানুয়ারি র‌্যাব-১-এর সদস্যরা তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে র‌্যাব-৩-এর নায়েব সুবেদার মো. ইব্রাহিম হোসেন বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় মামলাটি করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে অপুর বিরুদ্ধে মামলা হয়। এ মামলায় তার বিরুদ্ধে ৮ কোটি ও ১০ কোটি টাকার বিভিন্ন ব্যাংকের চেক উদ্ধারের কথা বলা হয়। এ টাকা দিয়ে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টার ষড়যন্ত্র করছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। পরে তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ১৫ জুন অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের পৃথক দুই ধারায় অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত