কামরুলের সঙ্গে কথা বলায় নাজিরের কার্যালয় ভাঙচুর

আপডেট : ২০ নভেম্বর ২০২৪, ০৭:২৮ এএম

হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য, সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামকে আট দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াদুর রহমান শুনানি শেষে জামিনের আবেদন নাকচ করে তার রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এদিকে কামরুল ইসলামের সঙ্গে কুশলবিনিময় ও তার ছেলেকে এজলাসের সামনে দাঁড়াতে সহায়তা করার অভিযোগে ঢাকা মহানগর আদালতের নাজির শাহ মো. মামুনের কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

গতকাল আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা জোনাল টিমের পরিদর্শক জাহাঙ্গীর আরিফ ১০ দিনের রিমান্ডে আবেদন করেন। এ সময় কামরুল ইসলামের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়াদুর রহমানের আদালত জামিন নামঞ্জুর করে সাত দিনের রিমান্ডের এ আদেশ দেয়।  আদালতে শুনানিতে কামরুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, ‘আমার এলাকা কেরানীগঞ্জ। নিউমার্কেট এলাকা আমার অধীনে না। ওই এলাকার এমপি আমি নিজেও না। এ মামলায় আমাকে ৫৬ নম্বর আসামি করা হয়েছে। আমার নামটি হয়তো শেষ মুহূর্তে ভুলে এজাহারে লেখা দেওয়া হয়েছে।’

এ কথা বলার পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, ‘উনি তো সব হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। শেখ হাসিনার সঙ্গে মিটিংয়ে থেকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেন।’ এ কথা শুনে কামরুল ইসলাম বলেন, ‘সব দিন তো এক রকম যায় না। এই দিন, দিন না।’

এর আগে গত সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর উত্তরা-১২ নম্বর সেক্টর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নাজিরের কার্যালয়ে ভাঙচুর : কামরুল ইসলামের সঙ্গে কুশলবিনিময় ও তার ছেলে ডা. তানজির ইসলাম অদিতকে এজলাসের সামনে দাঁড়াতে সহায়তা করার অভিযোগে ঢাকা মহানগর আদালতের নাজির শাহ মো. মামুনের কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বেলা দেড়টার দিকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের দোতলায় নাজিরের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন শাখা ও কোতোয়ালি থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ক্ষুব্ধ আইনজীবীরা নাজির মামুনের বিষয়ে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. জাকির হোসেনকে অবহিত করেন। পরে বিচারক তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে আশ^াস দেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত