অতি জনবহুল রাজধানীর ক্রমবর্ধমান যানবাহন সমস্যা ও পথের দুঃসহ যানজট কমিয়ে মেট্রোরেল দিয়েছে অবারিত শান্তি। তবে সম্প্রতি যান্ত্রিক ত্রুটিসহ নানা কারণে বেশ কয়েকবার বিঘ্ন ঘটেছে মেট্রোরেল চলাচলে। কয়েক মিনিট থেকে এক ঘণ্টা পর্যন্তও বন্ধ ছিল বিদ্যুতায়িত এ ট্রেনের চলাচল।
এমন ঘটনা ঘটেছে আজ বুধবার বিকেলেও। জানা যায়, কারওয়ান বাজার স্টেশনে বিকেল চারটা সাত মিনিটে হঠাৎ এলার্ট আসে এবং মেট্রোরেল থেমে যায়। তবে কয়েক মিনিটের মধ্যেই সেটি আবার তার গন্তব্যে ছেড়ে যায় বলে জানা যায়।
কিন্তু চলতি পথে হঠাৎ কেন মেট্রোরেল বন্ধ হয়ে যায়। আর কোনও কারণে মেট্রোরেল চলাচল হঠাৎ বন্ধ হলে যাত্রীরা কী করবেন। এ বিষয়ে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের সংশ্লিষ্টরা জানান, মানবসৃষ্ট বা কোনও টেকনিক্যাল কারণে মেট্রোরেল থেমে গেলে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। মেট্রোরেলে এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম বা ইএসএস প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। ট্রেন যখন চলে এটি নিজেও কিছু বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। চলাচলের সময় ট্রেনের ব্রেকিং সিস্টেম থেকে ব্যাটারিতে চার্জ হতে থাকবে।
এ কারণে দুই স্টেশনের মধ্যবর্তী কোনও জায়গায় মেট্রোরেল থেমে গেলে এটি নিজের রিজার্ভ বিদ্যুৎ দিয়ে নিকটবর্তী স্টেশনে গিয়ে থামবে। এক্ষেত্রে সামনের স্টেশনেও যেতে পারে, আবার রিভার্স নিয়ে পেছনের স্টেশন যেটা কাছে থাকবে সেখানেও যেতে পারে। প্ল্যাটফর্মে ট্রেন আসার পর অটোমেটিক ডোরগুলো খুলে যাবে। তখন যাত্রীরা চাইলে অপেক্ষায় থাকতে পারেন। আবার অন্য কোনও উপায়ে গন্তব্যেও চলে যেতে পারবেন।
এসব কারণ ছাড়াও ট্রেন যদি শিডিউলের আগে পরে হয় এজন্যও এরকম হতে পারে। অথবা অন্য ট্রেনে সমস্যা হলে, রেল ট্র্যাকে কোনো ধরনের সমস্যা মনে হলে চেক করার জন্যও এমনটি হতে পারে। এছাড়া মেট্রোরেলের বৈদ্যুতিক তারে কোনও কিছু ফেললে বা আটকে গেলেও এ ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
তবে যাই ঘটুক, মেট্রোরেলগুলোর ভেতরে স্ক্রিন আছে, সেখানে সমস্যার কথা উল্লেখ করা হয় যাতে যাত্রীরা জানতে পারেন কী কারণে ট্রেনটা থেমে আছে। এছাড়াও ট্রেন অপারেটরও সরাসরি যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন। তিনিও পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করেন।
কে নির্বাচন বা রাজনীতি করবে তা ঠিক করবে জনগণ : মির্জা ফখরুল