স্যুট বলতে আসলে শার্ট, প্যান্ট, কোট, ওয়েস্ট কোট, টাই কিংবা বো-টাই এই পাঁচটি অংশকে একসঙ্গে বোঝায়। ফরমাল শার্ট হিসেবে সাধারণত হালকা রঙের শার্টই বেছে নেওয়া হয়। স্যুট পরার সময় শার্টের রঙ খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিভিন্ন রঙের শার্ট থাকলেও ফরমাল গেটআপের ক্ষেত্রে স্প্রেড কলার বা পয়েন্ট কলার শার্ট পরাই ভালো। স্প্রেড কলার শার্ট বিভিন্ন মিটিংয়ের জন্য পরা যায়। আর বিভিন্ন পার্টি বা ডিনার ডেটে স্যুট পরার ক্ষেত্রে পয়েন্ট কলার শার্ট পরা যেতে পারে। স্প্রেড কলারে টাই পরা হয় সবসময়। আর ঘরোয়া অনুষ্ঠানে পয়েন্ট কলার শার্ট ক্ষেত্রবিশেষে টাই ছাড়াও পরতে পারেন। স্যুট পরার ক্ষেত্রে কখনোই বাটন-ডাউন শার্ট বাছাই করবেন না। দেখতে ভালো লাগে না।
ফরমাল প্যান্টের ফিটিংস ভালো হতে হবে; অর্থাৎ প্যান্ট স্ট্রেইট কাট হবে আর লম্বায় এমন হতে হবে, যেন পায়ের পাতায় এসে ভাঁজ হয়ে না থাকে। স্যুটের প্যান্টের রঙের সঙ্গে কোট ও ওয়েস্ট কোটের রঙের মিল থাকা চাই। কোটে যদি তিনটি বোতাম থাকে, তাহলে মাঝের বোতাম সবসময় লাগিয়ে রাখতে হবে। নিচের বোতাম সবসময় খোলা রাখতে হবে। আর যদি দুই বোতামের কোট হয়, তাহলে ওপরের বোতাম সবসময় লাগিয়ে রাখা আর নিচের বোতাম সবসময় খোলা রাখতে হবে। বসার আগে স্যুটের সব বোতাম খুলে তারপর বসতে হবে। আবার ওঠার পর বোতাম লাগিয়ে নিতে হবে। কোটের হাতা এমন হতে হবে, যেন তা শার্টের হাতা একদম ঢেকে না ফেলে বা শার্টের হাতার অনেক অংশ বের হয়ে থাকে। এমন হতে হবে যাতে শার্টের হাতার ১ ইঞ্চির ৪ ভাগের ১ ভাগ পর্যন্ত দেখা যায়।
অফিসে ওয়েস্ট কোট পরতে হলে অবশ্যই কোটের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে পরতে হবে। স্যুটের সঙ্গে যে ধরনের টাই পরা হয়, সেগুলোর রঙ সাধারণত শার্টের রঙের চেয়ে গাঢ় হয়। কোনোভাবেই শার্টের চেয়ে হালকা রঙের টাই পরা যাবে না। টাই প্যান্টের বেল্ট লাইন পর্যন্ত লম্বা হতে হবে। টাই পরতে না চাইলে বো-টাইও বেছে নিতে পারবেন।
