বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন বলেছেন, গত ৫ আগস্ট একটি সফল ছাত্র গণঅভ্যুত্থান সংগঠিত হয়েছে। ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে এবং স্বৈরচারের প্রধান শেখ হাসিনা বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে গেছে। আমরা জানি না কে বা কারা শেখ হাসিনাকে শেষ একজিট দিয়েছে। কিন্তু আমরা শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানাচ্ছি, সেই শুরু থেকে। কারণ শুধু ক্ষমতাকে পাকাপুক্ত করার জন্য দেশে গণঅভ্যুত্থান সংগঠিত হয়নি। বাংলাদেশের যত মানুষকে নির্বিচারে, নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করেছে, প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের জন্য শেখ হাসিনাকে আইনের মুখোমুখি দাঁড় করাতে হবে।
রবিবার (২৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় জামালপুর পৌর শহরের শফির মিয়ার বাজার এলাকার জরিনা মিয়ার উদ্দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের যৌথ কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।’
যুবদল সম্পাদক বলেন, নির্বিচারে বাংলাদেশের সম্পদ লুটপাট হয়ে গেছে গত ১৬ বছর। বিদেশে পাচার হয়ে গেছে এ দেশের মানুষের কষ্টার্জিত অর্থ। সেই অর্থ বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে হবে।
তিনি বলেন, গত ৫ আগস্টের পরে আমাদের নেতা তারেক রহমান বিএনপি পরিবারের প্রতিটি নেতাকর্মীদের সম্পর্কে কিছু সর্তক বার্তা দিয়েছেন। কেউ কেউ মেনে চলছেন, অনেকে উপেক্ষা করেছেন। যে কারণে আমরা অনেককে শোকজ করেছি, অনেককে বহিষ্কার করেছি। কোথাও কোথাও কমিটি বিলপ্তি করেছি। কোথাও নিজ দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা করতে বাধ্য হয়েছি।
তিনি আরও বলেন, ‘১৬ বছর যাবৎ পৃথিবীর নিষ্ঠুরতম ফ্যাসিবাদ, আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে। নিশ্চয় আপনি পাশের বাজারে গিয়ে ওই আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীর ফেলে যাওয়া দোকান পুনরায় দখল করবেন এ জন্য নয়। গত ১৬ বছর আপনি মিছিল করেছেন, মিটিং করেছেন, ২০ জন, ৩০ জন, ৫০ জনের বেশি পাননি। সেই ৫০ জনের জায়গায় এখন ৫শ’ জন। কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে এই ১৬ বছরের আওয়ামী ফ্যাসিবাদের সুবিধাভোগী কোনো দালল, চিহ্নিত আওয়ামী লীগার, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস, লুটেরা, দূর্বৃত্ত যাতে এই মিছিলে ঢুকে যেতে না পারে। তার দিকে খেয়াল রাখতে হবে। এই ৫শ’ জনের মিছিলে ভিড়ে যাতে ১৬ বছরের পরীক্ষিত ত্যাগী ওই ৫০ জন নেতাকর্মী হারিয়ে না যায়।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানীর সভাপতিত্বে ও ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক শ্যামল মালুমের সঞ্চালনায় যৌথ কর্মী সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন।
যৌথ কর্মী সভায় আরও বক্তব্য দেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো.ইয়াসিন আলী, যুগ্ম-সাধরণ সম্পাদক আব্দুর রহিম হাওলাদার সেতু, সহ-সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক ফয়সাল আহাম্মেদ পলাশ, ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু আফজাল মোহাম্মদ ইয়াহিয়া, সহ-সভাপতি শাহজাহান শাওন, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম খান সজীব, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নুরুল মোমেন আকন্দ কাউসার, জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোশারফ সিদ্দিকী প্রমুখ।
এ সময় জেলা উপজেলা ও পৌর যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
২৮ সাংবাদিকের ব্যাংক হিসাব তলব
পাকিস্তানে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় নিহত বেড়ে ৮২