বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতা আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে আহত তিনজনের পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছেন সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. ইকবাল হোসেন।
বুধবার (২৭ নভেম্বর) সকালে উপজেলা মিনি হলরুমে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আহত ও শহীদদের স্বরণে তাদের স্বজনদের উপস্থিতিতে স্বরণসভার আয়োজন করা হয়। এ সময় নবাগত ইউএনও আহত তিনজনের পরিবারের দায়িত্ব নেওয়ার কথা বলেন।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুলিশের গুলিতে আহত মো. জাহেদুর রহমান, সজীব হোসেন ও মিজানুর রহমান মিজানের সুচিকিৎসার জন্য সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়ার কথা জানান ইউএনও।
আহতদের মধ্যে সজীব হোসেন বলেন, মানিকগঞ্জের খালপাড়ে আন্দোলনরত অবস্থায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগ আমাদের ওপর লাঠি ও চাপাতি দিয়ে আঘাত করে। পরে পুলিশ এসে গুলি করলে আমার বাম হাত ও পায়ের দুটি আঙ্গুল পড়ে যায়।
ছাত্র জনতা আন্দোলনে ধামরাইয়ের হার্ডিঞ্জ স্কুল এন্ড কলেজে আন্দোলনরত অবস্থায় সাটুরিয়ার দরগ্রাম গ্রামের শহীদ মো. আরিফুল ইসলাম সাদ পুলিশের গুলিতে নিহত হয়। পরে তার নামে দরগ্রাম বাজারের বকুল তলাকে শহীদ সাদ চত্ত্বর ঘোষণা করা হয়। সেই চত্ত্বরের সৌন্দর্য্যবর্ধন ও দরগ্রাম সরকারি ভিকু মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজের বিজ্ঞান ভবনকে সাদ চত্ত্বর করার দাবী জানান সাদের চাচা মো. সাগর হোসেন।
পরে শহীদ সাদ ও আহতের সুস্থতা কামনায় দোয়া করা হয়।
স্বরণসভায় বক্তব্য রাখেন সাটুরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. তানভীর আহম্মদ, সাটুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. মামুন উর রশিদ, শহীদ সাদের চাচা মো. সাগর হোসেন, সাটুরিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর আলমসহ আরও অনেকেই।
এ সময় উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এজলাসে বিচারপতির দিকে ডিম ছুড়ে মারলেন আইনজীবীরা
চিন্ময় দাসের মুক্তি চেয়ে পোস্ট, ছেলেকে পুলিশে দিলেন বাবা