চট্টগ্রামের রাউজান থানায় হওয়া হত্যাচেষ্টা, ভাঙচুর ও নাশকতার পৃথক তিন মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীকে শ্যোন অ্যারেস্ট (গ্রেপ্তার) দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে চট্টগ্রামের চিফ জুডিশিয়াল মাজিস্ট্রেট কাজী শহিদুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।
চট্টগ্রাম জেলার কোর্ট পরিদর্শক জাকির হোসাইন জানান, রাউজান থানায় দায়ের করা তিন মামলায় এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত তা মঞ্জুর করেন। আরও একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হলেও মামলার নথিপথ চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ আদালতে থাকায় সেটার শুনানি হয়নি। পরে তাকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন এবিএম ফজলে করিম। এরপর গত ১২ সেপ্টেম্বর সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া সীমান্তের আবদুল্লাহপুর এলাকা থেকে ফজলে করিমসহ তিনজনকে আটক করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ফজলে করিম আখাউড়া সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন বলে বিজিবি জানিয়েছিল। এরপর ১৯ সেপ্টেম্বর তাকে হেলিকপ্টারে চট্টগ্রামে আনা হয়।
৪ ঘণ্টার ব্যবধানে মারা গেলেন স্বামী-স্ত্রী
‘জয় বাংলা’ জাতীয় স্লোগান ঘোষণার হাইকোর্টের রায় স্থগিত