ময়মনসিংহের নান্দাইলে ১০ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে দুইমাস ধরে আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা ময়মনসিংহের বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সিংরাইল ইউনিয়নের কচুরীচর পাড়া গ্রামের মো. হানিফ মিয়ার বখাটে ছেলে মোহাম্মদ হোসাইন (২২) গত ১ জুন অস্ত্রের মুখে বাড়ির সামনে থেকে ভুক্তভোগীকে অপহরণ করে অজ্ঞাতস্থানে আটকে রেখে ২ মাস ব্যাপী ধর্ষণ ও মানসিক নির্যাতন করে। গত ৬ সেপ্টেম্বর রাত ৭টার দিকে হোসাইন ভুক্তভোগীকে আহত অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে উদ্ধার করে ভুক্তভোগীকে ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মামলা সূত্রে জানা যায় , বেশ কিছুদিন ধরে হোসাইন ওই স্কুল ছাত্রীকে প্রেম নিবেদনসহ কটুক্তি করে আসছিল। স্কুল ছাত্রী প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ১ জুন কিশোরীকে হোসাইনসহ কয়েকজন মিলে সিএনজিযোগে অজ্ঞাত স্থানে তুলে নিয়ে যায়। বিষয়টি নান্দাইল মডেল থানা পুলিশ প্রশাসনকে অবহিত করলে দেশে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন চলমান থাকায় পুলিশ মামলা গ্রহণ করেনি। পরে গত ৬ সেপ্টেম্বর রশিদ মেম্বারের বাড়ির দক্ষিণের রাস্তায় রাত ৭টার দিকে হোসাইন ভুক্তভোগীকে আহত অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। স্কুলছাত্রীর ১টি চোখের অবস্থা আশঙ্কাজনক থাকায় তাকে ঢাকা আগারগাঁও চক্ষু হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে রেফার্ড করা হয়।
এদিকে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র স্কুল ছাত্রীকে অপহরণ, ধর্ষণ ও নির্যাতনের বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টাসহ অভিযুক্ত হোসাইনকে দেশের বাহিরে পাঠিয়ে দেবার উদ্যোগ নিয়েছে। পরে ভোক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে হোসাইন ও অজ্ঞাতনামা ২/৩জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করলে বিজ্ঞ আদালত মামলাটি ময়মনসিংহ জেলা পিবিআইকে মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করার নিদের্শ প্রদান করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই ইন্সপেক্টর মো. মোসলেম উদ্দিন আদালতের নিদের্শনা পেয়ে ইতিমধ্যে মামলাটি নান্দাইলে এসে তদন্ত করে গেছেন।
ক্ষমতার দাম্ভিকতায় রাজত্ব শেষ বিএনপি নেতার
‘ইনসাফ ভিত্তিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে জামায়াত’