সময়ের আলোচিত উপস্থাপক মাহমুদা মাহা। কথা বলার ধরন, উপস্থাপনশৈলী মাহাকে খুব দ্রুত শোবিজ দুনিয়ায় মসৃণ জায়গা করে দিয়েছে। মাহা একজন তুমুল তর্ক যোদ্ধা অর্থাৎ বিতার্কিক ছিলেন। ফলে যেকোনো আলাপনকে সহজেই বিশ্লেষণ করতে পারতেন। ইন্টারমিডিয়েট প্রথম বর্ষ পড়াকালীন প্রথম উপস্থাপনা করেন নিজের কলেজে। সেই প্রথম মাইক্রোফোন হাতে উপস্থাপনার মঞ্চে ওঠা, তখনো জানতেন না তার সামনের সময়টা এটায় হাঁটতে হবে অনেকটা পথ। সে পথেই আছেন, এখনো।
মাহা বলছেন, ‘উপস্থাপনাটাই করে যাচ্ছি। সেই কলেজ লাইফে শুরু করেছিলাম। এখনো চলছে। নানা কিছুর উপস্থাপনা করে যাচ্ছি। যেহেতু আমি বিতর্ক করতাম ফলে যশোরে যেকোনো উপস্থাপনার প্রশ্নে আমার নাম চলে আসত। কিন্তু পেশাদার উপস্থাপনা শুরু করি ২০১৬ সালে। কিছু স্টেজ শো, বিতর্ক উৎসব, সরকারি শো এসবই করতাম। এরপর টেলিভিশন শো উপস্থাপনা করছি, চলছে এখনো।’
মাঝখানে টুঙ্গিপাড়ার দুঃসাহসী খোকা নামে একটি চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন। সেখানেও নিজেকে বিকশিত করেছেন। প্রশংসা করেছেন নির্মাতা থেকে দর্শক। উপস্থাপনা ছাড়া আর কোনো পরিকল্পনায় হাঁটছেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে মাহা বললেন, ‘আসলে আমি তো ভেবেচিন্তে কোনো কাজ করি না। টুঙ্গিপাড়ার দুঃসাহসী খোকা নামে একটি চলচ্চিত্রে কাজ করেছি। তখন মনে হয়েছে আমার লক্ষ্য মনে হয় অভিনয়ই। আমি আসলে কী করতে চাই, আমার লক্ষ্য কী, এটা নিয়ে চিন্তা করে দেখেছি তখন মনে হয়েছে আর কি। যদি ভালো ভালো কাজে অভিনয়ের সুযোগ পাই, তাহলে হয়তো করব।’
মাহা এসবের বাইরে শুভেচ্ছাদূত হিসেবেও নিযুক্ত হলেন, আগামী এক বছর ওয়েলফুডের পণ্যের প্রচারে ভূমিকা পালন করবেন মাহা। মাহা বললেন, ‘এটি দেশের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ব্র্যান্ড। আমি নিজেও তাদের পণ্যের একজন ক্রেতা। এমন একটি প্রতিষ্ঠানের শুভেচ্ছাদূত হতে পেরে আনন্দিত। আগামী এক বছর বিভিন্ন পণ্যের প্রচারণায় অংশগ্রহণ করব।
