বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে ৩ জন গুলিবিদ্ধসহ আহত ১০

আপডেট : ২২ ডিসেম্বর ২০২৪, ০১:৪৮ এএম

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মুন্সীগঞ্জ সদরের মোল্লাকান্দিতে বিএনপির সমর্থক দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে তিনজন গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় কিছুসংখ্যক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

গতকাল শনিবার ভোর ৬টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত বিএনপির সুইজারল্যান্ড শাখার সদস্য মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের চরডুমুরিয়া গ্রামের রহিম মোল্লা ও শ্যামারচর গ্রামের স্থানীয় বিএনপিকর্মী আওলাদ মোল্লার লোকজনের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসী জানান, সংঘর্ষের সময় প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার হয়েছে।

সংঘর্ষের সময় গুলিবিদ্ধ জরিনা বেগম (৪০), দিদার মিয়া (৩৫), আমেনা বেগম (২২) এবং আহত অপু খাঁ (১৬) ও ইব্রাহিম খাঁকে (১৪) মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহত অন্যদের বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

চরডুমুরিয়া গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দা জানান, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সুইজারল্যান্ড বিএনপির সদস্য চরডুমুরিয়া গ্রামের রহিম মোল্লা ও শ্যামারচর গ্রামের বিএনপিকর্মী আওলাদ মোল্লার মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। শুক্রবার রাতে দুপক্ষের লোকজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে শনিবার ভোর ৬টার দিকে আওলাদ মোল্লার লোকজন ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলি ছুড়তে ছুড়তে চরডুমুরিয়া গ্রামে ঢোকে। এ সময় রহিম মোল্লার লোকজন প্রতিরোধ গড়ে তুললে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।

মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শাহরিয়ার ফেরদৌস বলেন, ছররা গুলিতে আহত তিনজনসহ জখম পাঁচজনকে চিকিৎসা দিয়ে ঢামেকে পাঠানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে যোগাযোগের চেষ্টা করে রহিম মোল্লা ও আওলাদ মোল্লার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে জানতে সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান ফকিরের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সজিব দে সাংবাদিকদের বলেন, ‘সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে শুনেছি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত