ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের ধলেশ্বরী টোল প্লাজার দুর্ঘটনায় ছয়জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় মামলা রুজু হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে বাস চালককে। শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) বিকেলে দুর্ঘটনায় নিহত আমেনা আক্তারের বড় ভাই নুরুল আমিন বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। ঘাতক বাসের চালকসহ কয়েকজনকে এ মামলায় আসামি করা হয়েছে।
এর আগে গতকাল শুক্রবার দিনগত রাতে নারায়নগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে বেপারী পরিবহনের বাস চালক নুরুন্নবীকে গ্রেপ্তার করে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন সদস্যরা।
শ্রীনগর উপজেলার হাঁসাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাদের জিলানী মামলা রুজু হওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, শুনতে পেয়েছি র্যাব-১০ বাসটির চালককে আটক করেছে। তবে ঘটনাটি কি কারণে ঘটেছে সেটি উদঘাটনে কাজ চলছে।
এছাড়াও বাসের ফিটনেস ছিল কিনা, চালকের ভারী যান চালানোর লাইসেন্স ছিল কিনা, চালক পর্যাপ্ত বিশ্রাম পেয়েছিলেন কিনা-এসব বিষয়ে জানা যাবে চালককে হেফাজতে পেলে।
অন্যদিকে, বাস চালককে গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশের এডিশনাল ডিআইজি আ. ক. ম আক্তারুজ্জামান বসু মিয়া।
তিনি জানান, গ্রেপ্তার বাস চালককে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণহীন ছিল। তবে আরো কোনো কারণ আছে কিনা তদন্ত সাপেক্ষে বলা যাবে।
প্রসঙ্গত, শুক্রবার বেলা ১১ টার দিকে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখান উপজেলার কুচিয়ামোড়া এলাকার অদুরে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের ধলেশ্বরী সেতুর টোল প্লাজায় বেপারী পরিবহনের দ্রুতগতির বাস সামনে থাকা মোটরসাইকেল, মাইক্রো ও প্রাইভেটকারকে পিষে দিলে ৬ জন নিহত হয়।
র্যাবের ক্রসফায়ারে নিহত রব্বানীর পরিবার পাচ্ছে নতুন বাড়ি
ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই অনেকে চাঁদাবাজি করছেন: উপদেষ্টা সাখাওয়াত