৮ বছর ধরে চলা আইনি লড়াইয়ের ইতি ঘটল বছর শেষে। যে বিচ্ছেদের মামলা গোটা বিনোদন দুনিয়াকে নাড়িয়ে দিয়েছিল, সেই মামলার নিষ্পত্তি ঘটল। অবশেষে ডিভোর্সের পথে হলিউডে বিখ্যাত জুটি ব্র্যাড পিট ও অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। প্রাক্তন স্বামী ব্র্যাড পিটের বিরুদ্ধে অপব্যবহারের মামলা প্রত্যাহার করলেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি।
একটা সময় ব্র্যাঞ্জেলিনার সম্পর্ক দেখে নিজেদের রিলেশনশিপ গোল সেট করতেন বহু মানুষ৷ কিন্তু এখন সেসব অতীত৷ অ্যাঞ্জেলিনা জোলি এবং ব্র্যাড পিটের সম্পর্কটা এখন ইতিহাস৷
২০১৬ সালে সন্তানদের উপর ব্র্যাডের খারাপ আচরণকে কারণ দেখিয়ে ডিভোর্স ফাইল করেছিলেন অভিনেত্রী৷ কিন্তু খুব আশ্চর্যভাবেই বিচ্ছেদ যেন কিছুতেই মেনে নিতে পারছিলেন না ব্র্যাড৷ নানা বাহানায় তিনি ডিভোর্স পিটিশনের প্রত্যুত্তরে আদালতে হাজিরা দিচ্ছিলেন না৷ রটেছিল, সন্তানদের কথা ভেবেই নাকি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অভিনেতা৷ আর সেই কারণেই বারংবার ডিভোর্স প্রক্রিয়া এড়িয়ে যাচ্ছিলেন তিনি৷
সম্পর্কটা শুরু হয়েছিল সেই ২০০৪ সালে! দীর্ঘ সেই একত্রবাসের মাঝেই তিনটি সন্তান দত্তক নেওয়া এবং তিনটি সন্তানের জন্ম। বিয়ে করেছিলেন ২০১২ সালে। সব মিলিয়ে যখন ভাঙল অ্যাঞ্জেলিনা জোলি এবং ব্র্যাড পিটের এমন জমাটি সংসার, সারা পৃথিবীতে শোরগোল তো পড়বেই! তাদের নামটাও তো জুড়ে গিয়েছিল পরস্পরের সঙ্গে, সবাই বলত ব্র্যাঞ্জেলিনা!
২০০৪ সালে ‘মিস্টার অ্যান্ড মিসেস স্মিথ’ ছবির শুটিং করতে গিয়ে অ্যাঞ্জেলিনা জোলির প্রেমে পড়েন ব্র্যাড পিট এবং, পরিণামে স্ত্রী জেনিফার অ্যানিসটনকে বিবাহবিচ্ছেদের কাগজ ধরান তিনি! তবে অ্য়াঞ্জেলিনার সঙ্গেও বিয়েটা টেকাতে পারলেন না ব্র্যাড।
আবারও সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়েছে রাজ-পরীর?
ভারতীয় নারীদের ডেট করা নিয়ে আপত্তি হানি সিংয়ের!