তুষারঝড়কে উপেক্ষা করেও মাঠে গড়ায় লিভারপুল-ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ম্যাচ। হাড় কনকনে ঠান্ডার মাঝে যারা খেলতে দেখতে মাঠে এসেছিলেন তাদের শীতের কষ্ট সইতে হয়নি। মাঠের খেলায় যে উত্তাপ ছড়িয়েছে দুদলের ফুটবলাররা তাতে পয়সা উসুল হয়েছে পুরোদমে। আর শেষ পর্যন্ত উত্তেজনা ছড়ানো রাতের ম্যাচটি ড্র হয়েছে ২-২ গোলে। অন্যদিকে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে জয় দিয়ে নতুন বছর শুরু করেছে ম্যানচেস্টার সিটি। নিজেদের মাঠ ইতিহাদে শনিবার ম্যানসিটি ৪-১ গোলে হারিয়েছে ওয়েস্ট হ্যামকে। জোড়া গোল করেন আর্লিং হালান্ড। ব্যর্থতার বৃত্তে ঘুরপাক খেতে থাকা সিটি অক্টোবরের পর এই প্রথম টানা দুই ম্যাচে জয়ের স্বাদ পেল। লিগে শেষ ১১ ম্যাচে এটি তৃতীয় জয় পেপ গার্দিওলার দলের।
অ্যানফিল্ডে প্রথমার্ধ কেটেছে গোলশূন্য। দ্বিতীয়ার্ধের ৫২ মিনিটে লিসান্দ্রো মার্তিনেজের গোলে লিড নেয় ইউনাইটেড। তবে বেশিক্ষণ পিছিয়ে থাকতে হয়নি স্বাগতিকদের। ৫৯ মিনিটে দলকে সমতায় ফেরান কোডি গাকপো। ভিএআরের সিদ্ধান্ত মোতাবেক পাওয়া পেনাল্টি থেকে এরপর ৭০ মিনিটে লিভারপুলকে এগিয়ে দেন মোহামেদ সালাহ। পিছিয়ে পড়া ম্যাচে সমতা ফেরাতে আক্রমণ হানতে থাকা ম্যানইউ সফল হয় ৮০ মিনিটে আমাদ দিয়ালোর গোলে। ম্যাচের উত্তেজনা জিইয়ে রেখে শেষ পর্যন্ত দুই দল গোলের চেষ্টা চালিয়ে গেলেও জালভেদ করতে পারেনি। শেষ মিনিটে ম্যাগুয়েরে লক্ষ্যচ্যুত শটে ড্র নিয়েই ফিরতে হয় ইউনাইটেডকে।
শক্তিতে পিছিয়ে থাকলেও ওয়েস্ট হ্যাম শুরুতে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল। তবে সেটি হয়নি। উল্টো দশম মিনিটে নিজেদের ভুলে পিছিয়ে পড়ে তারা। বাঁ দিক দিয়ে আক্রমণে উঠে শট নেন তরুণ ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড সাভিনহো, বল ডিফেন্ডার ভ্লাদিমির পায়ে লেগে দিক পাল্টে জালে জড়ায়। ৪২ মিনিটে সাভিনহোর ক্রসে বল হেডে জালে পাঠান হালান্ড। ৫৫ মিনিটে সাভিনহোর থ্রু পাস থেকে ম্যাচে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন হালান্ড। লিগে এবার তার গোল হলো ১৬টি। তিন মিনিট পর কেভিন ডি ব্রুইনার পাস থেকে স্কোর ৪-০ করেন ফিল ফোডেন। ৭১ মিনিটে ওয়েস্ট হ্যামের হয়ে এক গোল শোধ দেন নিকোলাস ফুলক্রুগ। ম্যাচশেষে গার্দিওলা বলেন, 'আমাকে ভুল বুঝবেন না। (এই জয়ে) আমি খুব খুশি। এফএ কাপের ম্যাচের (আগামী শনিবার) আগ পর্যন্ত আমি ভালোভাবে ঘুমাতে পারব।’
শ্রীলঙ্কার কাছে ৫ উইকেটে হারল বাংলাদেশ
তুষার ঝড়ে শঙ্কার মুখে লিভারপুল-ম্যানইউ ম্যাচ