চট্টগ্রামে আদালতের বারান্দা থেকে কেস ডকেট বা নথি গায়েবের ঘটনায় বিচারাধীন মামলায় কোনো প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছে চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালত। নথি উধাওয়ের ঘটনা তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত হাইকোর্টের একজন বিচারপতির প্রতিবেদন উদ্ধৃত করে এসব কথা জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার সরকার গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি তুলে ধরেন।
মহানগর দায়রা জজ আদালত থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সংবাদপত্রে প্রকাশিত নথি গায়েবের ঘটনা অবহিত হয়ে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য চট্টগ্রাম-১ অঞ্চলের অধঃস্তন আদালতসমূহের কার্যক্রম মনিটরিংয়ের জন্য দায়িতপ্রাপ্ত হাইকোর্টের বিচারপতি এসএম কুদ্দুস জামানকে নির্দেশনা দেন।
বিচারপতি এসএম কুদ্দুস জামানের তদন্ত প্রতিবেদন উদ্ধৃত করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের কোনো এজলাস বা চেম্বার থেকে কোনো ফৌজদারি মামলার নথি চুরি হয়নি। সংবাদপত্রে যে এক হাজার ৯১১টি কেস ডকেট চুরির বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলো চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক পিপির কার্যালয়ের বারান্দা থেকে চুরি হয়েছে। কেইস ডকেটগুলি ছিল ২০১৫ সালের আগের ফৌজদারি মামলা সংক্রান্ত। বেশিরভাগ মামলা এর মধ্যে নিষ্পত্তি হয়ে গেছে।
এ ছাড়া ফৌজদারি যে কোনো মামলার কেস ডকেটের একটি কপি সংশ্লিষ্ট সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংরক্ষিত থাকে। এর ফলে আদালতে বিচারাধীন কোনো ফৌজদারি মামলা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।
হেফাজতে যুবককে নির্যাতন, সাবেক ওসির বিরুদ্ধে মামলা পুনঃতদন্তের নির্দেশ
সাবেক মেয়রসহ আ. লীগের ৫ নেতার ২ দিনের রিমান্ড
চট্টগ্রামে সাবেক ওসিকে মারধর, স্বেচ্ছাসেবক দলের সেই নেতা বহিষ্কার