গাজায় ১৫ মাস ধরে চলা সহিংসতার পর যুদ্ধবিরতি চুক্তি রবিবার থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে ছয় সপ্তাহের প্রাথমিক যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হয় ইসরায়েল ও হামাস।
এই চুক্তিটি কার্যকর হবে তিন ধাপে। এর মধ্যে হামাসের হাতে আটক ৩৩ জিম্মির মুক্তির পরিবর্তে ইসরায়েলের কারাগারে বন্দি ফিলিস্তিনিদের অনেককে ছেড়ে দেওয়া হবে। গাজার ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকাগুলো থেকে ইসরায়েলি বাহিনী আরো পূর্ব দিকে সরে যাবে। এল ফলে বাস্তুচ্যূত ফিলিস্তিনিরা তাদের বাড়িতে ফিরতে পারবেন। এছাড়াও ত্রাণবাহিনী শত শত ট্রাক প্রতিদিন গাজায় প্রবেশের সুযোগ পাবে।
চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের আলোচনায় স্থান পাবে বাকি জিম্মিদের মুক্তি এবং 'টেকসই শান্তির' জন্য ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টি। তৃতীয় ও চূড়ান্ত ধাপে আসবে গাজার পুনর্গঠন। এর জন্য অনেক বছর লেগে যেতে পারে। তবে হামাসের হাতে আর কেউ জিম্মি থাকলে তাদের মুক্তির বিষয়টিও আলোচনায় আসবে এই ধাপে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, এই চুক্তির ফলে গাজায় লড়াই বন্ধ হবে, ফিলিস্তিনিদের জন্য মানবিক ত্রাণ সহায়তা বাড়বে এবং জিম্মিরা তাদের পরিবারের কাছে ফিরে যাবে। তবে যুদ্ধবিরতি হলেও এই ভূখণ্ডে যুদ্ধ স্থায়ীভাবে শেষ হবে কিনা সেই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে মার্কিন হোয়াইট হাউজের ন্যাশনাল সিকিউরিটি কমিউনিকেশন্স অ্যাডভাইজার জন কিরবি বলেছেন, চুক্তি কার্যকর হবে তিন ধাপে। যখন জিম্মিদের মুক্তি দেওয়া হবে এবং সাহায্য বিতরণ করা হবে, তখন ইসরায়েল ও হামাস তিন ধাপের যুদ্ধবিরতির চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের আলোচনা করবে।
কিরবি জানিয়েছেন, চুক্তির দ্বিতীয় ধাপ হলো, যে শর্তগুলোর বিষয়ে এখনও একমত হওয়া যায়নি। এর অংশ হবে- সম্ভবত গাজা থেকে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রত্যাহার এবং স্থায়ীভাবে যুদ্ধ শেষ করা।
তিনি বলেন, দ্বিতীয় ধাপ একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। কারণ আপনি যদি সে পর্যন্ত যেতে পারেন, তবে এই যুদ্ধ স্থায়ীভাবে শেষ হওয়ার একটা সম্ভাবনা তৈরি হবে।
এটা করা সম্ভব কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, "আমরা বিশ্বাস করি আমরা পারি। এটা একটা ভালো চুক্তি। এর জন্য প্রয়োজন নেতৃত্ব এবং এর বাস্তবায়ন।"
সূত্র: বিবিসি বাংলা।
নিত্যপণ্যের ভ্যাট রিভিউ হচ্ছে: অর্থ উপদেষ্টা
এবার মুক্তি পেলেন দশ ট্রাক অস্ত্র মামলার আসামি জাপা নেতা