চেক প্রতারণার মামলায় ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানসহ দুজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। গতকাল রবিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াদুর রহমান এক আদেশে সাকিবের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে নির্দেশ দেন।
গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর আইএফআইসি ব্যাংকের জনসংযোগ কর্মকর্তা সাহিবুর রহমান বাদী হয়ে সাকিব আল হাসানসহ চার জনের বিরুদ্ধে একই আদালতে এ মামলাটি করেন। ঐ দিন ১৮ ডিসেম্বর আসামিদের আদালতে হাজির হতে সমন দেওয়া হয়।
মামলায় অপর আসামিরা হলেন সাকিব আল হাসান, অ্যাগ্রো ফার্মের ম্যানেজিং ডিরেক্টর গাজী শাহাগীর হোসাইন, ডিরেক্টর ইমদাদুল হক ও মালাইকার বেগম। গতকাল সাকিব আল হাসান অ্যাগ্রো ফার্মের ডিরেক্টর ইমদাদুল হক ও মালাইকার বেগম আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন। সাকিব আল হাসান ও অ্যাগ্রো ফার্মের ম্যানেজিং ডিরেক্টর গাজী শাহাগীর হোসাইন আদালতে হাজির হননি। এ জন্য আদালত তাদের পলাতক দেখিয়ে দুজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, সাকিব আল হাসান অ্যাগ্রো ফার্ম লিমিটেডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কোম্পানিটির কার্যক্রম সাতক্ষীরায়। ২০১৭ সালে ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল হিসেবে এক কোটি এবং টার্ম লোন হিসেবে দেড় কোটি টাকা বনানী শাখার আইএফআইসি ব্যাংক থেকে নেওয়া হয়। পরে ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল হিসেবে নেওয়া টাকা সময়মতো পরিশোধ না করায় ব্যাংকটি এই টাকা মেয়াদি লোনে পরিবর্তন করে। টাকা ফেরত চেয়ে কয়েক দফা নোটিস দেওয়ার পর কোম্পানিটি ব্যাংককে চলতি বছরের ৪ সেপ্টেম্বর চার কোটি ১৪ লাখ টাকার দুটি চেক দেয়। তবে সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টে যথেষ্ট টাকা না থাকায় চেক বাউন্স করে। পরে ঋণের টাকা ফেরত চেয়ে আইএফআইসি ব্যাংকের বনানী শাখা আইন অনুযায়ী দৈনিক পত্রিকার মাধ্যমে লিগ্যাল নোটিস পাঠায়। তবে নোটিস পাঠানোর পরে তার কোনো জবাব না দেওয়া এবং টাকা পরিশোধ না করায় এ মামলাটি করে আইএফআইসি।
